হাতে আছে দুই বল, জিততে হলে দরকার নয় রান। এমতাবস্থায় বাউন্ডারি হাঁকানো ছাড়া দ্বিতীয় কোন পথ খোলা ছিল না করবিন বশের। বলটাকে সীমানা ছাড়া করতে ব্যাট চালালেন শপাটে। আর তাতেই যত বিপত্তি।
ভেঙে যায় করবিনের বশের ব্যাট। স্ট্রাইক নিজের কাছে রাখতে ভাঙা ব্যাট নিয়েই দুই রানের চেষ্টা চালান তিনি। সবকিছু ঠিকই, তবে সমস্যার সৃষ্টি করল হাতল না থাকা ব্যাটটা। এক হাতে হাতল অন্য হাতে বাকি অংশ নিয়ে দাগটা ছুঁতে পারলেন না বশ। কাটা গেল এক রান। আর ফলাফল, ছয় রানে ম্যাচটা হারতে হলো দক্ষিণ আফ্রিকাকে।

এদিন টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে মাঠের খেলায় বারবার বাধা হয়ে দাঁড়ায় বৈরি আবহাওয়া। ওভার কেটে ১৬ করা হয়, এরপর তা নেমে আসে ১০-এ। টি-টেন স্টাইলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলতে থাকে। শেষমেষ স্কোরবোর্ডে তোলে ১১৪ রান।
বৃষ্টি আইনে আফ্রিকার সামনে লক্ষ্যমাত্রা বেধে দেওয়া হয় ১২৫। শুরুটা সন্তোষজনক হয়নি স্বাগতিকদের। এইডেন মার্করাম দুই রানেই বিদায় বলেন। ফর্মে থাকা ডি ককও পরিস্থিতির চাপ সামলাতে ব্যর্থ হন।

তবুও জয়ের সম্ভাবনা হারিয়ে যায়নি। যদিও শেষমেষ নিয়তির কাছেই পরাজিত হতে হয়েছে প্রোটিয়াদের। ব্যাটটা যদি ঠিক থাকত আর বশও যদি দুই রান সম্পূর্ণ করতে পারতেন, চিত্রটা বদলাতে পারতো হয়তো। সেটা আর হয়নি, এটা অবশ্য আফ্রিকার পুরনো রোগ, যেখানে প্রতিপক্ষ দুইটি, নিয়তি এবং বিপক্ষ দল।











