পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস আরো একবার আইপিএল মিশন শুরু করতে যাচ্ছে জয়ের স্বপ্ন নিয়ে। আর স্বপ্নপূরণের যাত্রায় তাঁদের শক্তি ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড; ব্যাটিংয়ে, বোলিংয়ে দলের জন্য অবদান রাখতে মুখিয়ে আছেন তারকারা। একই সাথে ইম্প্যাক্ট সাবস্টিটিউট হিসেবেও প্রস্তুত আছেন কয়েকজন।
- আনশুল কাম্বুজ
গত ইমার্জিং এশিয়া কাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছিলেন আনশুল কাম্বুজ। বিশেষ করে নতুন বল হাতে ব্যাটারদের কঠিন পরীক্ষা নিয়েছিলেন তিনি। ভাল পেস আছে তাঁর বোলিংয়ে, আবার দুই দিকেই সুইং করাতে পারেন। তাই তো দীপক চাহারের জায়গায় এই তরুণ হতে পারেন চেন্নাইয়ের শুরুর দামাকা।
গত কয়েক আসরে লম্বা ব্যাটিং লাইনআপ রেখে একাদশ সাজিয়েছে দলটা। এবারও সেটার ব্যতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা কম, সেক্ষেত্রে আনশুলকে ইম্প্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে টিম ম্যানেজম্যান্ট।

- শ্রেয়াস গোপাল
চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম স্পিনারদের জন্য কতটা সহায়ক সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। চেন্নাই তাই রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে রবিচন্দন অশ্বিনকে প্রস্তুত রেখেছে। তবে বাড়তি একজন স্পিনার প্রয়োজন হলে কাজে লাগবে শ্রেয়াস গোপালকে। মাঝের ওভারে দুই অফ স্পিনারের পাশাপাশি লেগ স্পিনের ঝলক দেখাতে পারবেন তিনি।
আইপিএলের অভিজ্ঞ লেগিদের একজন গোপাল, খেলেছেন ৫১ ম্যাচ। বোলিং গড় ২৫ এর একটু বেশি আর ইকোনমি প্রায় আট – পরিসংখ্যান বিবেচনায় সমীহ করার মতই। তাই স্পিন স্বর্গে তাঁকে ইম্প্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে নামানোর সুযোগ হাতছাড়া করবে না চেন্নাই।

- রাহুল ত্রিপাঠী
টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লের সদ্ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর এখানে ধোনিদের ট্রাম্প কার্ড হতে পারেন রাহুল ত্রিপাঠী। ভয়ডরহীন ব্যাটিং অ্যাপ্রোচে সুনাম কামিয়েছেন তিনি, আইপিএলে ২৭.২৭ গড় আর ১৪০ স্ট্রাইক রেট তাঁর সামর্থ্যের প্রমাণ দেয়। আর সেজন্যই শুরুর দিকে ফিল্ড রেস্ট্রিকশনের ফায়দা নিতে তাঁকে টপ অর্ডারে রাখবে টিম ম্যানেজম্যান্ট।
কিন্তু বল হাতে ত্রিপাঠীর করার কিছু নেই, তাই বোলিং ইনিংসে তাঁকে মাঠে রাখার প্রয়োজনও থাকছে না। পিচ বিবেচনায় পেসার বা স্পিনারের সঙ্গে তাঁকে বদল করে নেয়াই বরং বুদ্ধিমানের কাজ হবে।











