ক্রিকেটকে বলা হয় ভদ্র লোকের খেলা। কিন্তু, সব সময় চাইলেও বলা যায় না। আর যেখানে দিগ্বেশ রাঠির নাম জড়িয়ে আছে, সেখানে সব সময় ভদ্রতা দিয়ে কাজ চলে না। দিল্লী প্রিমিয়ার লিগের এলিমিনেটর ম্যাচে নিতিশ রানার সাথে তর্কে জড়িয়ে গেলেন তিনি।
অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট দিল্লি লায়ন্স এবং সাউথ দিল্লি সুপারস্টারদের মধ্যে উত্তেজনায় ভরা ছিল ম্যাচটি। নক আউট ম্যাচে উভয় দলের খেলোয়াড়রা তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।
খেলার এক পর্যায়ে, মুখোমুখি হন এই দুই খেলোয়াড়। বোলিং করতে এগিয়ে এলেও থেমে যান রাঠি। অভ্যাসটা তার পুরনো যা আইপিএলে এর আগেও করেছেন তিনি। এতে কিছুটা ভড়কে যান ব্যাটার। পরের বলেই প্রতিশোধ নেন তিনি। বোলার বোলিং করতে আসলে ক্রিজ থেকে সরে যান ব্যাটার। এবং রাঠিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘বল করতে থাক।’

ঠিক তার পরের বলেই রিভার্স সুইপ খেলে ছক্কা হাঁকান বাঁ-হাতি এই ব্যাটার। এতেই ক্ষান্ত হননি তিনি। রাঠির স্পেশাল নোটবুক সেলিব্রেশন করেন রাঠিকে উদ্দেশ্য করেই। এতে নিজের নিয়ন্ত্রণ হারান এই স্পিনার। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শোনা যায় তাঁকে।
খেলার মাঠের পরিবেশ ঠিক রাখতে এগিয়ে আসেন আম্পায়ার-সহ দুই দলের খেলোয়াড়রা। একই ম্যাচে দর্শকরা সাক্ষী হয় সুমিত মাথুর এবং কৃষ যাদবের মধ্যকার দ্বন্দ্বের।
সাউথ দিল্লী সুপারস্টারকে হারিয়ে শেষ হাসি হাসলেন রানা। মাথা ঠাণ্ডা রেখে ক্রিজে টিকে থাকেন শেষ অবধি। সব রাগ যেন ঝাড়লেন বলের উপরেই। ১৭ বল হাতে রেখেই পৌঁছে যান ২০২ রানের লক্ষ্যে। মাত্র ৫৫ বলে খেলেন ১৩৪ রানের ইনিংস। অপর দিকে দুই ওভারে ৩৯ রান দিয়ে রাঠি পার করলেন ভয়ঙ্কর এক দিন।

এমন আচরণে দিল্লী প্রিমিয়ার লিগের আয়োজকরা দুজনকেই জরিমানা করেন। দিগ্বেশ রাঠিকে ধারা ২.২( আচরণ লঙ্ঘন) মোতাবেক ম্যাচ ফির ৮০ ভাগ এবং নিতিশ রানাকে ২.৬ ( অশ্লীল ও আপত্তিজনক ব্যবহার ) ধারা অনুযায়ী ৫০ ভাগ জরিমানা করা হয়।










