জয়ের আশা জাগিয়েও ভারতের কাছে হার মানল আফ্রিকা!

২৩১ রানের বিশাল পাহাড়! সম্ভাবনা জাগিয়েও তা টপকাতে পারল না দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতীয় ব্যাটারদের তান্ডবের প্রতিশোধটা তাই আর নেওয়া হলো না। হারের ব্যবধানটা দাঁড়াল ৩০ রানের।

২৩১ রানের বিশাল পাহাড়! সম্ভাবনা জাগিয়েও তা টপকাতে পারল না দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতীয় ব্যাটারদের তান্ডবের প্রতিশোধটা তাই আর নেওয়া হলো না। হারের ব্যবধানটা দাঁড়াল ৩০ রানের।

এদিন আগে ব্যাট করতে নামা ভারতের ওপেনিংয়ে ফিরল পুরনো সুর, ইনজুরির কারণে একাদশ থেকে ছিটকে গেছেন শুভমান গিল। সেটাই যেন একপ্রকার সাপে বর হয়েছিল ভারতের জন্য। নিজের হারানো জায়গায় ফেরেন সাঞ্জু স্যামসন। তাতেই জমে ওঠে ওপেনিং জুটি, ভারত পায় ৬৩ রান।

তবে সুরিয়াকুমার যাদব ব্যর্থ হন আরও একবার। পরের দৃশ্যে আগমন ঘটে তিলক ভর্মার। সলিড ব্যাটিংয়ে দলকে বয়ে নিয়ে যান নিজের কাঁধে। ইনিংস গুছিয়ে নেন নিজের মতো করে। বাকি গল্পটা হার্দিক পান্ডিয়ার। ব্যাট দিয়ে রীতিমতো শাসন করতে থাকেন আফ্রিকার বোলারদের। তিলক-হার্দিকের ১০৫ রানের জুটিতে ভারত পায় শক্ত ভিত। স্কোরবোর্ডে তোলে ২৩১ রানের বিশাল সংগ্রহ।

এই রান চেজ করে জেতাটা বাস্তবিক অর্থেই বেশ কঠিন কাজ। ব্যাটারদের বিশেষ কিছু করতে হতো। সেটায় করতে থাকলেন কুইন্টন ডি কক। ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে আবারও চওড়া হয়ে উঠল তাঁর ব্যাট। একপ্রান্তে বাঁচিয়ে রাখলেন জয়ের আশা।

ওপেনিংয়ে আফ্রিকা যেন ভারতের মতোই এগোলো, এল ৬৯ রান। তখনও যে ডি ককের কল্যাণে সম্ভাবনাটা ছিল প্রবলভাবেই। তবে ছন্দপতনের শুরুটা ১২০ রানের মাথায়। ৬৫ রান করে বিদায় বলেন ডি কক। পরের ১৫ রান করতে আফ্রিকা হারায় আরও তিন উইকেট। আর ওখানেই নিভে যায় প্রোটিয়াদের আশার আলো। শেষমেষ থামতে হলো ২০১ রানে। ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজটাও নিজেদের করে নিল ভারত। পাঁচ ম্যাচ সিরিজ জিতে নিল ৩-১ ব্যবধানে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link