মুস্তাফিজের মায়াবী জাদুতে বুঁদ সকলে!

আরও এক ম্যাচ, মুস্তাফিজুর রহমানের আরও এক ম্যাজিক। যে ম্যাজিকের সামনে অসহায় হতে বাধ্য হয় ব্যাটাররা। ফিজ যেন এক ফাঁদ পেতেছেন, শিকারের নেশায় মজেছেন। কাটার মাস্টার দেখিয়ে যাচ্ছেন বোলিংয়ের মাস্টারক্লাস।

আরও এক ম্যাচ, মুস্তাফিজুর রহমানের আরও এক ম্যাজিক। যে ম্যাজিকের সামনে অসহায় হতে বাধ্য হয় ব্যাটাররা। ফিজ যেন এক ফাঁদ পেতেছেন, শিকারের নেশায় মজেছেন। কাটার মাস্টার দেখিয়ে যাচ্ছেন বোলিংয়ের মাস্টারক্লাস।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে মুস্তাফিজ এলেন। প্রথম বলটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলেন না। খেসারতস্বরূপ হজম করতে হলো চার। তবে এরপরই স্লোয়ার দিয়ে বাজিমাত। জনসন চার্লস কিছু বুঝে ওঠার আগেই ধরলেন ড্রেসিংরুমের পথ। আট রান দিয়ে উইকেট নিয়ে প্রথম ওভার শেষ করলেন কাটার মাস্টার।

দাসুন শানাকা সেরা অস্ত্রকে জমিয়ে রাখলেন। ফের মুস্তাফিজকে ফেরানো হলো ১৬তম ওভারে। ততক্ষণে অবশ্য ম্যাচ চলে এসেছে দুবাইয়ের পকেটে। তবে জাদুটা চলল তখনও। যার চূড়ান্ত মুহূর্ত এলো ওভারের পঞ্চম বলে। একটু জোরের ওপরই ফুলার লেন্থে বল করলেন আদিল রশিদের জন্য। আন্ডার এজ হয়ে কিপারের দস্তানায় আটকা পড়ল। মুস্তাফিজ আবেদন করলেন, আম্পায়ার আঙুল তুললেন না। উইকেটকিপার সায়ান জাহাঙ্গীরও কোনো শব্দ শোনেননি বলে জানান।

তবে মুস্তাফিজ আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে শানাকাকে রিভিউ নিতে বললেন। অধিনায়ক দেরি না করেই সায় দিলেন ফিজের কথায়। ব্যস, আল্ট্রা এজ সব সংশয় সরিয়ে দিল। মুস্তাফিজের মুখে ফুটে উঠল এক দুর্লভ হাসি, তৃপ্তির হাসি। নামের পাশে যে তখন যোগ হয়েছে আরও এক উইকেট।

এই ম্যাচে মাত্র দুই ওভার করার সুযোগ পেয়েছেন ফিজ। ১৩ রানের বিনিময়ে তুলে নিয়েছেন দুই উইকেট। তাসকিন আহমেদের শারজাহ ওয়ারিয়র্স গুটিয়ে যায় ১১৭ রানে। মুস্তাফিজরা জয় পায় ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে।

আসরজুড়ে চিরচেনা ছন্দেই ছুটে চলছেন ফিজ। নিজের মারণাস্ত্র দিয়ে ঘায়েল করছেন ব্যাটারদের। একেকটা স্লোয়ার, কাটারের সামনে ফুটে উঠছে ব্যাটারদের অসহায়ত্ব। সবাই কেবল বুঁদ হয়ে আছে কাটার মাস্টারের মায়াবী জাদুতে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link