বিশ্বকাপে দ্রুততম ফিফটি হাঁকানো পাঁচ ভারতীয় নক্ষত্র

ক্রিকেট ইতিহাসে ভারতীয় ব্যাটাররা বরাবরই তাদের শৈল্পিক ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি পেশিশক্তির আস্ফালন দেখিয়ে ক্রিকেটবিশ্বকে শাসন করেছেন। ঈশান কিষাণ এই অভিজাত তালিকায় নাম লেখানোর পর, চলুন ফিরে তাকানো যাক বিশ্বকাপে ভারতের পাঁচ বিধ্বংসী অর্ধশতকের দিকে।

ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাট মানেই চার-ছক্কার ফুলঝুরি।  আর সেই মঞ্চ যদি হয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, তবে ব্যাটারদের ব্যাটে আগ্নেয়গিরির লাভা উদগিরণ হওয়াটাই যেন স্বাভাবিক।

ক্রিকেট ইতিহাসে ভারতীয় ব্যাটাররা বরাবরই তাদের শৈল্পিক ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি পেশি শক্তির আস্ফালন দেখিয়ে ক্রিকেটবিশ্বকে শাসন করেছেন। ঈশান কিষাণ এই অভিজাত তালিকায় নাম লেখানোর পর, চলুন ফিরে তাকানো যাক বিশ্বকাপে ভারতের পাঁচ বিধ্বংসী অর্ধশতকের দিকে।

  • ইশান কিষাণ (২০ বলে)

তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন তরুণ তুর্কি ঈশান কিষাণ। ২০২৬ সালের এই চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলায় নামিবিয়ার বিপক্ষে প্রলয় নাচন দেখালেন তিনি। মাত্র ২০ বলে পূরণ করেছেন অর্ধশতক।

  • যুবরাজ সিং (২০ বলে)

২০০৭ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ডারবানের মাঠেই তিনি খেলেন মাত্র ২০ বলের এক চোখ ধাঁধানো ইনিংস। বড় ম্যাচের স্নায়ুচাপ জয় করে কীভাবে বোলারদের শাসন করতে হয়, তা সেদিন যুবরাজের প্রতিটি শটে ফুটে উঠেছিল।

  • রোহিত শর্মা (১৯ বলে)

২০২৪ সালের বিশ্বকাপ। প্রতিপক্ষ তখন পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়া, রোহিত শর্মার ব্যাট যেন হয়ে ওঠে তলোয়ার। মাত্র ১৯ বলে ফিফটির গণ্ডি পেরিয়ে রোহিত প্রমাণ করেছিলেন, বয়স কেবল একটি সংখ্যা মাত্র। তার সেই আক্রমণাত্মক শুরুই ভারতকে এক বিশাল সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।

  • লোকেশ রাহুল (১৮ বলে)

২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বোলাররা যেন স্রেফ দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। দুবাইয়ের মাঠে কেএল রাহুল যখন ব্যাট হাতে নামলেন, তখন মাঠের চারদিকে যেন বাউন্ডারির ছড়াছড়ি। মাত্র ১৮ বলে করেছিলেন অর্ধশতক।

  • যুবরাজ সিং (১২ বলে)

তালিকার সবার উপরের নামটিও যুবরাজ সিংয়েরই। স্মৃতিটা ২০০৭ সালের।  স্টুয়ার্ট ব্রডের ছয় বলে ছয়টি ছক্কা হাঁকানো, এ যেন ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক দৃশ্য। মাত্র ১২ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করে যুবরাজ সিং গতির যে নতুন সংজ্ঞা লিখেছিলেন, তা আজও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম। এটি কেবল একটি রেকর্ড নয়, বরং ক্রিকেটের ব্যাকরণ বদলে দেওয়া এক মহাকাব্যিক ইনিংস।

লেখক পরিচিতি

ক্রীড়াচর্চা হোক কাব্য-কথায়!

Share via
Copy link