টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বের এক নম্বর দল হয়েও ফিল্ডিং নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছে ভারত। বিশেষ করে ক্যাচ ধরাটা এই সময়ে দলটির দূর্বলতম জায়গাগুলোর একটি। গেল এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হলেও ভারত ভুগেছে ক্যাচিং ইস্যুতে। অথচ, সেখানে ভারত ছিল অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন দল।
এশিয়া কাপে ভারতের ক্যাচ মিসের হার ছিল হতাশাজনক—পুরো টুর্নামেন্টে ১২টি ক্যাচ মিস করেছে তারা, যা ছিল সবার মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০২৫ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ভারতের ক্যাচিং দক্ষতা ৮২.৭ শতাংশ—যা আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পঞ্চম। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে অধিনায়ক সুরিয়াকুমার যাদব তাই বিষয়টিকে খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন।

তিনি বললেন, ‘ক্যাচ পড়বে, এটা খেলাটারই অংশ। যেমন ব্যাটার আউট হয়, বোলার উইকেট পেতে ব্যর্থ হন—তেমনই ফিল্ডারও কখনও ক্যাচ ফেলবে। কিন্তু আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হল, এরপর সেটা কাটিয়ে ওঠার প্রোসেসটা কি। সেখানেই আমরা নজর দিচ্ছি এখন। নিজেদের জন্য সাম্প্রতিক ফিল্ডিং পারফরম্যান্স একটা ওয়েক আপ কল।’
ফিল্ডিংয়েও সেরা হতে চায় ভারত। সুরিয়া বলেন, ‘আমরা এখন এমন একটা দল গড়ার চেষ্টা করছি, যারা হবে বিশ্বের সেরা ফিল্ডিং ইউনিট। অনেক দলই শুধু ফিল্ডিং দিয়েই ম্যাচ জিতে নেয়। ব্যাটিং বা বোলিং খারাপ হলেও ভালো ফিল্ডিং একটা ম্যাচ জেতাতে পারে। তাই আমরা কঠোর পরিশ্রম করছি। তবে ফিল্ডিংয়ে নিশ্চয়তা বলে কিছু নেই। আজ ২৫টা ক্যাচ ধরলে কালও মিস হতে পারে। কিন্তু তুমি বলটা তোমার দিকে চাও কিনা, সেই ইচ্ছা আর চেষ্টার ওপর নির্ভর করে।

ভারতীয় অধিনায়কের মতে, ফিল্ডিং কেবল টেকনিক নয়, এটা একধরনের মাইন্ড সেটও। তিনি বলেন, ‘ফিল্ডিং একমাত্র বিভাগ যেখানে ১১ জন একসাথে কাজ করে। ব্যাটিং বা বোলিং সবার আলাদা আলাদা দক্ষতা, কিন্তু ফিল্ডিং একসাথে বাঁচার জায়গা। তাই মাঠে একটা ভালো পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। প্রতিপক্ষ এগিয়ে থাকলেও যদি ফিল্ডিংয়ে প্রাণ থাকে, ম্যাচ ঘুরে যেতে পারে।’










