অবশেষে জয়ের দেখা পেল চেন্নাই!

একটা জয় যেন সোনার হরিণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংসের সামনে। অনেক চেষ্টা করেও ধরা দিচ্ছিল না সেটা। তবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে অবশেষে তাকে ধরা গেল। সেই সাথে এবারের আসরের প্রথম জয় তুলে নিল চেন্নাই।

একটা জয় যেন সোনার হরিণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংসের সামনে। অনেক চেষ্টা করেও ধরা দিচ্ছিল না সেটা। তবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে অবশেষে তাকে ধরা গেল। সেই সাথে এবারের আসরের প্রথম জয় তুলে নিল চেন্নাই।

এদিন দিল্লি টসে জিতে ব্যাটিংয়ে পাঠায় চেন্নাইকে। পরের পর্বের গল্পটা সাঞ্জু স্যামসনের প্রত্যাবর্তনের মহাকাব্য বোনা। শুরু থেকেই ম্যাচের লাগাম টেনে নিলেন নিজের হাতে। ঋতুরাজ গায়কোয়াডকে নিয়ে ৬২ রানের ওপেনিং জুটি। এর মধ্যে ঋতুরাজের সংগ্রহ মোটে ১৫।

এরপর আয়ুশ মাহত্রেকে নিয়ে চেন্নাইয়ের জয়ের পথ সুগম করতে থাকেন সাঞ্জু। তুলে নেন আসরের প্রথম শতকও। রিটায়ার্ড আউট হয়ে ৫৯ রানে আয়ুশ ফেরার আগে এই জুটি থেকে চেন্নাই পায় ১১৩ রান। সাঞ্জুর ১১৫ রান আর শেষদিকে দুবের ক্যামিওতে ভর করে চেন্নাইয়ের স্কোরবোর্ডে আসে ২১২ রান।

সংখ্যাটা বেশ বড়, তবে ধরাছোঁয়ার বাইরে নয়। শুরুটা যেমন দরকার ছিল, দিল্লি তেমনই করেছিল। পাথুম নিশাঙ্কা আর লোকেশ রাহুলের সম্মিলিত প্রয়াসে ৬১ রান আসে ওপেনিং জুটি থেকে। তবে এরপরই ছন্দপতনের শুরু। ৬১-তেই উড়তে থাকা নিশাঙ্কা বিদায় বলেন। ৭৬ রানের মাথায় চার উইকেট হারিয়ে দিল্লি তখন ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছে অনেকটা দূরে।

সেখান থেকে ট্রিস্টান স্টাবসের এক ব্যর্থ চেষ্টা। একপ্রান্ত আগলে রেখে সম্ভাবনার প্রদীপটাকে একটুও হলেও জ্বালিয়ে রেখেছিলেন। তবে ৬০ রানে তাঁর বিদায়ের পর দিল্লির কফিনে শেষ পেরেকটা গেঁথে যায়। অবশ্য এর বড়সড় কৃতিত্বটা দিতে হবে জেমি ওভারটনকে। ১৮ রানসহ চার উইকেট নিজের ঝুলিতে পুরেছেন, যার মধ্যে একটা উইকেট ওই স্টাবসের। শেষমেষ ২৩ রানের ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয় চেন্নাই। স্বস্তি ফেরে তাদের ডেরায়।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link