হামজা চৌধুরী কেন গোলরক্ষণও করেন না, সেটা নিয়ে আগের ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে স্যোশাল মিডিয়াতে একটা আলোচনা ছিল। সেই আলোচনাটা সম্ভবত বেশিই সিরিয়াসলি নিয়ে ফেললেন হামজা চৌধুরী।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল লিস্টার সিটির অধিনায়ক হামজা সত্যিই ভারতের বিপক্ষে হাজির হলেন গোলরক্ষকের বেশে। মিতুল মারমার শিশুতোষ ভুলের খেসারত বাংলাদেশ প্রায় দিয়েই ফেলেছিল, ঠিক তখনই দৃশ্যপটে হাজির হামজা, বাংলাদেশের ত্রাণকর্তা।

প্রথমার্ধের ৩১ মিনিট। বক্সের বাইরে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন মিতুল, ভারতের রহিম আলী এগিয়ে আসছিল, তখনই বিচিত্র এক ক্লিয়ারেন্স করলেন। সেখান থেকে বল চলে গিয়েছিল লালিয়ানজুয়ালা চাঙটের পায়ে। তাঁর সামনে সহজ সুযোগ। ফাঁকা পোস্টে ডান পায়ের শট। কোথা থেকে যেন উড়ে আসলেন হামজা। উড়ন্ত এক বাঁজপাখি হয়ে বাঁচালেন বাংলাদেশকে।
অবিশ্বাস্য এক ক্লিয়ারেন্স। ভারতকে সমতায় ফেরার সুযোগ বঞ্চিত করলেন। গোল হারিয়ে ভারত যখন হতাাশায় মুুুষড়ে পড়েছে, তখন গোলবারে ফেরার কথা মনে পড়ল মিতুল মারমার। ধারাভাষ্যে কে যেন বললেন, ভাগ্যিস হামজা ছিলেন!











