মিসিং পাজেল মেলাতে সক্ষম গুজরাট টাইটান্স

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ পড়ায়, শুভমান গিলের কাছে সময় থাকছে আইপিএল নিয়ে পরিকল্পনা সাজানোর। দেখা যাক শেষ অবধি শিরোপা তিনি উঁচিয়ে ধরতে পারেন কি-না। 

কোর টিম ঠিক রেখে, টুকটাক মিসিং পাজেল মেলাতে নিলামে হাজির হয়েছিল গুজরাট টাইটান্স। তাদের ঝুলিতে ছিল ১২ কোটি ৯০ লাখ রুপি। খেলোয়াড় কিনতে হতো মাত্রটি ৫টি। যার মধ্যে ছিল চারজন বিদেশি। জেসন হোল্ডারের মত কার্যকর একজন অলরাউন্ডারের পেছনে সাত কোটি রুপি খরচ করে একবারের চ্যাম্পিয়ন দলটি।

এরপর তারা টম ব্যানটন ও লুক উডকে তাদের ভিত্তিমূল্য যথাক্রমে ২ কোটি ও ৭৫ লাখ রুপিতে দলে ভেড়ায়। সেই সাথে বাকি দুই স্বদেশী অশোক শর্মা ও পৃথ্বী রাজকে দলে টেনে পূর্ণ করে ২০২৬ সালের স্কোয়াড। দলটার টপ অর্ডার একেবারে রকসলিড। সাই সুদর্শনের সাথে শুভমান গিলের জুটিটা গুজরাটের অন্যতম চালিকা শক্তি।

তিনে জশ বাটলারের অভিজ্ঞতার রুদ্রমূর্তি। এই তিন ব্যাটারের উপরই নির্ভরশীল গুজরাটের ব্যাটিংয়ের সমস্ত পরিকল্পনা। মিডল অর্ডার সামলানোর জন্য রয়েছেন ওয়াশিংটন সুন্দর, অনুজ রাওয়াত, রাহুল তেওয়াতিয়া, শাহরুখ খান রয়েছেন। শেষের দিকে রানের একটু বাড়তি বুষ্ট দেওয়ার জন্যই মূলত জেসন হোল্ডারকে দলে নেওয়া। ঘূর্ণিতে প্রতিপক্ষকে কাবু করা ছাড়াও রশিদ খান ব্যাট হাতে ঝড় সৃষ্টিতেও কম যান না।

কাগিসো রাবাদা, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা সাথে জেসন হোল্ডারকে নিয়ে গড়া, পেস আক্রমণে ইম্প্যাক্ট সাব হিসেবে মোহামদ সিরাজ, দুর্ধর্ষ পেস আক্রমণ। স্পিনে রশিদ খানের সাথে সাই কিশোরের কম্বো। গুজরাটের বোলিং নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তার জায়গা নেই। ২০২৫ সালের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে প্লে-অফে যাওয়া দলটার উপরই রয়েছে তাদের আস্থা। নিলামঘরে সেই আস্থার প্রতিফলনই ঘটেছে।

ব্যাটিং-বোলিং ইউনিটে এদফা বেশ ভারসাম্য খুঁজে পেয়েছে গুজরাট। এই দল নিয়ে নিশ্চয়ই আরও একটি শিরোপা ঘরে তুলতে চাইবে ফ্রাঞ্চাইজিটি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ পড়ায়, শুভমান গিলের কাছে সময় থাকছে আইপিএল নিয়ে পরিকল্পনা সাজানোর। দেখা যাক শেষ অবধি শিরোপা তিনি উঁচিয়ে ধরতে পারেন কি-না।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link