হাবিবুরের ব্যাটিং ঝড়ে রাজশাহীর জয়!

রাজশাহীর ব্যাটিং ঝড়ে খুলনায় বিপর্যয়। হাবিবুর রহমান সোহান আর নাজমুল হোসেন শান্তর অনবদ্য ইনিংসে আট উইকেট হাতে রেখেই রাজশাহীর জয়। সিলেটে যেন হলো এক জমজমাট রানের মেলা।

রাজশাহীর ব্যাটিং ঝড়ে খুলনায় বিপর্যয়। হাবিবুর রহমান সোহান আর নাজমুল হোসেন শান্তর অনবদ্য ইনিংসে আট উইকেট হাতে রেখেই রাজশাহীর জয়। সিলেটে যেন হলো এক জমজমাট রানের মেলা।

টসে জিতে রাজশাহী অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত নেন ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত। বিপরীতে খুলনার শুরুটা মোটেও ভালো হলো না। ১৩ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে ধুকছিল তখন দল। ত্রাতা হয়ে এলেন সৌম্য সরকার। চিরচেনা ব্যাটিং দর্শনে ব্যাট হাতে তুললেন ঝড়। সঙ্গী হিসেবে পেলেন আফিফ হোসেনকে। দুজনের ১১৭ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় খুলনা ডিভিশন।

৩৪ বলে ৬৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে বিদায় নিলেন সৌম্য, আফিফও সঙ্গীর দেখানো পথে হাঁটলেন ৫০ করে। এরপরই শ্লথ হয়ে যায় খুলনার রানের চাকা। শেষদিকে নাহিদুল ইসলামের ১৭ রানের ইনিংসে স্কোর দাঁড়ায় ১৭১।

জবাবে ব্যাট হাতে হাবিবুর রহমান সোহান যেন রুদ্রমূর্তি ধারণ করলেন। একের পর এক বলকে সীমানা দড়ির উপারে পাঠাতে থাকলেন। নাজমুল শান্ত বা কম যাবেন কেন। যোগ দিলেন হাবিবুরের সাথে, দুজনে মিলে করলেন রেকর্ড ১৪৮ রানের জুটি।

হাবিবুরের ব্যাট থেকে এলো ৪৫ বলে ৯৪ রানের এক টর্নেডো ইনিংস। ১০ চার আর ছয় ছক্কার সাথে স্ট্রাইক রেট ছিল ২০৮। সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপে পুড়লেও খুলনার বোলিং লাইনআপ নিয়ে স্রেফ ছেলেখেলা করেছেন। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দিয়ে বুঝিয়েছেন নিজের সক্ষমতা। শান্তর ব্যাট আজ অশান্ত হলো—৩৯ বলে ৬৫ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়লেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২৩ বল আর আট উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় রাজশাহী।

বৈরি আবহাওয়ার কারণে এক ম্যাচ মাঠে গড়ানোর পর বন্ধ হয়ে যায় এনসিএলের এবারের আসর। তবে আবার সিলেটে পুনরায় শুরু হলো আসরের বাকি অংশ। আর মাঠে ফেরার প্রথম দিনেই দেখা গেল রানের ছড়াছড়ি।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link