হংকংয়ের মাটিতে যেন ঝড়ের অন্য নাম বনে গেলেন আবদুল সামাদ। ব্যাট হাতে এমন তাণ্ডব চালালেন, যেন ছক্কা ছাড়া আর কোনো শটই খেলতে জানেন না তিনি।! দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাত্র ১০ বলে ফিফটি, পাকিস্তানও জিতল ৫ উইকেটের দাপুটে ব্যবধানে।
মং ককের আকাশে তখনও সূর্য উজ্জ্বল, কিন্তু তাঁর চেয়েও বেশি আলো ছড়াল সামাদের ব্যাট। দক্ষিণ আফ্রিকা টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৬ ওভারে ৩ উইকেটে ১০২ রান তোলে—ছক্কার পর ছক্কা, রানের বন্যা। কিন্তু সামাদের সামনে সেই রানও যেন ছোট্ট এক লক্ষ্য
১০৩ রানের লক্ষ্য তাড়ায় পাকিস্তানের দুই ওপেনার শুরু থেকেই আগুন ঝরানো ব্যাটিং করেন। খাজা নাফে ১৩ বলে ৩৬ রান করে ফিরলেও, ততক্ষণে গড়ে ফেলেছেন ৬২ রানের উদ্বোধনী জুটি। এরপর ব্যাট হাতে মাঠ কাঁপান সামাদ।

চতুর্থ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার জর্ডান মরিসকে টানা ৫ ছক্কা! দর্শক গ্যালারি তখন তাণ্ডবময়, ধারাভাষ্যকারের গলা কাঁপছে উচ্ছ্বাসে। মাত্র ১০ বলেই ফিফটি, তাতে ৮টি ছক্কা! যেন সময় থেমে গেছে তাঁর ব্যাটের ছন্দে।
পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হয় ৩.৫ ওভারে—হাস্যোজ্জ্বল সামাদ ও অপরাজিত আব্বাস আফ্রিদি তখন ড্রেসিংরুমের পথে। আব্বাসের ব্যাট থেকেও এসেছে ছোট্ট ঝলক—২ বলে দুই ছক্কা, ১২ রানে অপরাজিত।
হংকং সিক্সেস আসলে ক্রিকেটের পেশাদারিত্বকে ছাড়িয়ে ছোট্ট এক উৎসব। সেখানে কেন্দ্রবিন্দুতেই ছিলেন আবদুল সামাদ। দশ বলে ফিফটি, আর পাকিস্তানের জয় যেন কাব্যের ছন্দে বাঁধা এক বজ্রপাত।











