উইকেটে হার্দিক পান্ডিয়া যখন আসবেন, তখন আর কোনো প্রশ্ন থাকে না। তিনি আছেন, অর্থাৎ দলের চাহিদা পূর্ণ হবে।
উইকেটে আসবেন, প্রতিপক্ষ দেখবেন। দলের চাহিদা বুঝবেন, ব্যস – তারপর হার্দিক পান্ডিয়া সেটাই করবেন – যেটা তিনি সবচেয়ে ভাল পারেন। হার্দিক পান্ডিয়াকে সেভাবেই তৈরি করেছে ভারত। হার্দিক পান্ডিয়া ইজ আ বিস্ট।
তিনি তাই বিরাট কোহলির সেঞ্চুরি হবে কি হবে না – সেটা দেখবেন না। দেখবেন না কে কি ভাবছেন। কারণ, বিস্ট হিসেবে যাকে গড়ে তোলা হয়েছে তাঁর মধ্যে কি আর আবেক অনুভূতি থাকে। হার্দিক পান্ডিয়ার মধ্যেও সেটা নেই। তাই তিনি অনন্য।

৪৫ রানের ইনিংস কখনও একটা ৭০-৮০ রানের ইনিংসের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়ায়। দুবাইয়ের স্পিন বান্ধব উইকেটে তেমনই এক ইনিংস খেলেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। ৪৫ বলে ৪৫ রানের ইনিংস। দুটি ছক্কার সাথে চারটি চার। ভারত নিউজিল্যান্ডের সামনে ২৫০-এর লক্ষ্য দিয়েছে।
৩০ রানে তিন উইকেট হারিয়ে যাওয়ার পরও যখন ভারত নিউজিল্যান্ডের সামনে ২৫০ রান ছুড়ে দেয়, তখন সেটা সম্ভব হয়েছিল একমাত্র হার্দিক পান্ডিয়ার অদম্য মনোবলে। ভারত তো এটাই চায় তাঁর কাছ থেকে।











