১৬ বলেই ফিফটি, ভারতের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম এটি। আহমেদাবাদে চলল টিপিকাল ‘হার্দিক পান্ডিয়া শো’। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের বিরুদ্ধে চালালেন ধ্বংসযজ্ঞ।
সিরিজের শেষ ম্যাচ, দক্ষিণ আফ্রিকা জয় ছাড়া একেবারেই নিরুপায়। তবে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে এলেন হার্দিক। যাকে টলাতে পারল না আফ্রিকার বোলাররা। সুরিয়াকুমার যাদবের বিদায়ের পর যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়েছিল প্রোটিয়া শিবিরে, সেখানেই হার্দিক হয়ে এলেন সাক্ষাৎ যমদূত।
উইকেটে যেন সেট হয়েই এসেছিলেন তিনি। তাই তো কালক্ষেপণ না করে ঝড় তুললেন বাইশ গজে। আফ্রিকার বোলারদের নিয়ে এক ছেলেখেলায় মেতে উঠলেন যেন।

হার্দিকের সবচেয়ে আগ্রাসী রূপটা দেখল জর্জ লিন্ডে। কখনো এক্সট্রা কাভার দিয়ে ছক্কা হাঁকালেন, কখনো মিড উইকেট দিয়ে বল পাঠালেন গ্যালারিতে। নিজের ইচ্ছেমতো সবকিছু করলেন তিনি। বোলাররা স্রেফ চেয়ে চেয়ে দেখল কেবল।
হার্দিকের শটকে ক্রিকেটের ভাষায় ব্যাখ্যা করাটা একটু দুরূহ, তবে সে সব শট চোখে লেগে থাকার মতো, অবাক করে দেওয়ার মতো। হার্দিক যতক্ষণ ক্রিজে থাকলেন, বোলারদের দম বন্ধ করেই রাখলেন। ইনিংসের শেষ ওভারে অবশ্য ফিরতে হলো তাঁকে। তবে ততক্ষণে ব্যক্তিগত খাতায় তুলে ফেলেছেন ২৫ বলে ৬৩ রানের এক অবিশ্বাস্য ইনিংস। পাঁচ চার আর পাঁচ ছক্কায় সাজানো ইনিংসের স্ট্রাইক রেট ছিল কাটায় কাটায় ২৫২।
চেনা ছন্দে থাকা হার্দিক ভারতের জন্য এক আশীর্বাদ। এক মুহূর্তেই যিনি পালটে দিতে পারেন ম্যাচের দৃশ্যপট। প্রতিপক্ষের হাতে থাকা ম্যাচটা মুহূর্তেই নিজের করে নিতে পারেন তিনি। তাই তো হার্দিক একটু বিশেষই বটে।












