একাই লড়ে গেলেন তাওহীদ হৃদয়। বহুদিন বাদে তাকে দেখে অন্তত আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছিল। সেই আত্মবিশ্বাস রানের পরিণত হয়েছে বটে। কিন্তু তাতে দলে উপকার হল না এক ছটাক। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে অসহায় আত্মসমর্পণের লজ্জায় বাংলাদেশকে দিতে হয়েছে ডুব সাঁতার।
১৮২ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করতে নেমেছিল বাংলাদেশ। চট্টগ্রামের শিশির ভেজা পরিবেশে এই রান সহজেই তুলে নেবে বাংলাদেশ- তেমনটাই ছিল হয়ত ভাবনা। কিন্তু সেই ভাবনাগুলো তুলোর মত উড়ে যেতে সময় বেশি লাগেনি। পাঁচ রানের মাথায় প্যাভিলিয়নে ফেরে বাংলাদেশের টপ অর্ডার। তিন উইকেট নেই চোখের পলকে।
ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই বাইশ গজে হাজির হন তাওহীদ হৃদয়। শুরু থেকেই প্রায় প্রতিটা বল তার ব্যাটের মধ্যখানে আঘাত করছিল। সেটাই বরং বলে দিচ্ছিল, ছন্দে ফেরার মত আত্মবিশ্বাসী হৃদয় হয়ে উঠেছেন। সাম্প্রতিক সময়টা যে তার মোটেও ভাল যাচ্ছিল না। একজন ব্যাটারের আত্মবিশ্বাস মূলত ফুটে ওঠে ব্যাটে-বলের সংযোগে।

হৃদয়ের সেই সম্ভাবনা রানে রুপান্তরিত হয়েছে। ৮৩রান করে তিনি শেষ পর্যন্ত ছিলেন অপরাজিত। ইনিংসের সর্বশেষ ওভারের তার আগ্রাসনই বলে দিচ্ছিল, অন্যপ্রান্ত থেকে সহয়তা পেলে- ম্যাচ জেতার কাজটা অন্তত করতে পারতেন তাওহীদ হৃদয়। এদিন তিনি হয়ত নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির অনুসন্ধানও করতে পারতেন।
স্রেফ অপরপ্রান্ত থেকে বিন্দুমাত্র সহয়তা পাননি বলে হৃদয়ের দারুণ ইনিংসটি হারিয়েছে মাহাত্ম্য। নিরাশ হতেই পারেন তাওহীদ হৃদয়। কেননা ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেও তিনি দলকে জেতাতে পারেননি। ৩৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে দল।
বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের শেষ সিরিজে সূচনা এর থেকে বাজেভাবে আর হতে পারে না। তবে হৃদয় নিশ্চয়ই নিজের এই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ের ধারা বয়ে নিয়ে যেতে চাইবেন বিশ্বকাপ অবধি।












