ব্যাট হাতে অবিশ্বাস্য ফর্মে বিরাট কোহলি!

টানা ছয় ম্যাচে পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস। বিরাট কোহলি যে রানের ঘোড়া ছুটিয়েছেন, তার লাগাম টানার সাধ্য কারো নেই। ফর্মে থাকা কোহলি যে কত ভয়ঙ্কর, তা আবারও নতুন করে দেখছে ক্রিকেট বিশ্ব। আবারও দেখছে বুড়ো ঘোড়ার বিশ্বজয়ের মিশন।

টানা ছয় ম্যাচে পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস। বিরাট কোহলি যে রানের ঘোড়া ছুটিয়েছেন, তার লাগাম টানার সাধ্য কারো নেই। ফর্মে থাকা কোহলি যে কত ভয়ঙ্কর, তা আবারও নতুন করে দেখছে ক্রিকেট বিশ্ব। আবারও দেখছে বুড়ো ঘোড়ার বিশ্বজয়ের মিশন।

বিজয় হাজারে ট্রফিতে ১৫ বছর পর ফিরে শতক হাঁকিয়েছিলেন কোহলি। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ধারাবাহিক সাফল্য টেনে এনেছেন ঘরোয়াতেও। দ্বিতীয় ম্যাচেও নেমে ধরে রাখলেন নিজের তেজ।

ব্যাঙ্গালুরুতে আজ প্রতিপক্ষ গুজরাট। এদিন চেজ নয়, আগে ব্যাট করতেই নেমেছিলেন কোহলিরা। দুই রানে যখন দিল্লির উইকেটের পতন ঘটে, তখনই বিরাট ব্যাট কাঁধে বাইশ গজে এলেন কোহলি। এরপর থেকে চলল তাঁর একচেটিয়া দাপট।

আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট চালালেন, পাওয়ারপ্লেটাকে কাজে লাগালেন। ফিফটি এলো, মনে হচ্ছিল আরও এক সেঞ্চুরি অপেক্ষা করছে কোহলির জন্য। তবে এদিন আর তা হলো না, ঠেলেফুঁড়ে মারতে গিয়ে ৬১ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলেই দিনটা শেষ করলেন কোহলি। ১৩ চার আর এক ছক্কায় সাজানো ইনিংসের স্ট্রাইক রেট ছিল ১২৬।

অস্ট্রেলিয়ায় পরপর দুই ডাকের পর কোহলির শেষ যারা দেখে ফেলেছিলেন, তাদের জন্য কোহলি এক বার্তা দিলেন, ‘আমি না চাইলে কোনো কিছুই শেষ হওয়ার নয়।’ এরপর থেকে বিরাট ভুলেই গেছেন ৫০-এর নিচে আউট হওয়ার কথা। শেষ ছয় ইনিংসের মধ্যে তিনটি ফিফটি আর তিনটি হাফসেঞ্চুরি। এ এক অবিশ্বাস্য বিরাটের মহান কীর্তি।

রাজারা হার মানে না। সময় নিয়ে ঠিকই ফিরে আসে। যেমনটা ফিরলেন বিরাট কোহলি। প্রমাণ করলেন, সিংহাসন এখনো তাঁরই।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link