টিম ইন্ডিয়া রান তাড়ায় যেন এক এআই। হিসেব কষে রান তাড়া করেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ছয় উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। অলিখিত কোয়ার্টার ফাইনালের কোন চাপই ছুঁয়ে গেল না গোটা দলকে। প্রভাব ফেলেনি ১৯৬ রানের লক্ষ্যমাত্রাও। সাঞ্জু স্যামসনকে কেন্দ্র করে কি অবলীলায় সেমিফাইনালের চলে গেল ভারত!
টসে জিতে ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাটিংয়ে পাঠায়। বোলারদের খেই হারানোর বিষয়টি মাথায় রেখেই ব্যাটারদের ভরসাতে ম্যাচটা জেতার পরিকল্পনা ছিল টিম ইন্ডিয়ার। তবে সে জন্য যত স্বল্প রানে ক্যারিবিয়ানদের আটকে ফেলা যেত, ততই সহজ হতো। কিন্তু রস্টন চেজকে ওপেনিংয়ে পাঠানোর গ্যাম্বেল ফলপ্রসূ হয়ে ধরা দেয়।
দারুণ গতিতে রান তোলার মনোনিবেশ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রত্যেকের সম্মিলিত অবদানে ১৯৫ রান স্কোরবোর্ডে তোলে ক্যারিবিয়ানরা। চেজের ব্যাট থেকেই এসেছে সর্বোচ্চ ৪০ রান এসেছে ২৫ বলে। বাকিরাও আগ্রাসনকে অব্যাহত রেখেছিল। সেটাই ভারতের উপর চাপ বাড়িয়েছে। কিন্তু সেই চাপ বাইশ গজে উপলব্ধি করতে দেননি ভারতের ত্রাণকর্তা সাঞ্জু স্যামসন।

একেবারে হিসেব কষা রান তাড়া করে গেছে ভারত। এক সাঞ্জুকে কেন্দ্র করে আবর্তন করেছেন দলের বাকি ব্যাটাররা। অভিষেক শর্মা এদিনও ফ্লপ। তবুও বিচলিত হয়নি ভারতের ব্যাটিং ইউনিট। ভাবখানা ছিল জয় তো সহজ কাজ, হিসেব মেলালেই আউটপুটে হাতে থাকবে সেমিফাইনালের টিকিট। অতিরঞ্জিত কিছুই করেননি সাঞ্জু, তিলক ভার্মা কেউই।
যেন কোন এক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে প্রম্পট দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আস্কিং রানরেট কখনোই হাতছাড়া হয়নি। অতিরিক্ত আগ্রাসনের প্রয়োজন পড়েনি। ঠিক যতটুকু দরকার, ততটুকু বাউন্ডারি হাঁকানোর চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে সাঞ্জু স্যামসন, জোর করে কিছুই করেননি বাইশ গজে।
তাতে করে চার বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত। নিজেদের উপর আসা সকল নেতিবাচকতা তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিল গোটা ভারত দল। কেন তারা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অন্যতম দাবিদার সেটাই আরও একটিবার সুস্পষ্ট করেছে সাঞ্জু স্যামসন ও টিম ইন্ডিয়া।












