অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছাতে হলে ভারতকে হারাতেই হবে। তবে শুধু হারালে হবে না- ৩৩.৩ ওভারের মধ্যে তাড়া করতে হবে ২৫৩ রান। এমন কঠিন সমীকরণের ম্যাচে, জিততে তো পারলই না, উল্টো ৫৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে ফারহান ইউসুফরা।
অলিখিত কোয়ার্টার ফাইনালে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। যথারীতি নিজেদের শক্তিশালী বোলিং ইউনিটকে ব্যবহার করে স্বল্প রানে ভারতকে গুটিয়ে ফেলার পরিকল্পনা ছিল। সে পরিকল্পনা বাস্তব হতেও শুরু করেছিল। ভারতের দলীয় ৪৭ রানের মাথায় তিনটি উইকেটের পতন ঘটে।
শঙ্কা জেগেছিল স্বল্পতেই গুটিয়ে যাওয়ার। ২০০ রানের আগেই নিজেদের সপ্তম উইকেট হারায় ভারত। ভেদান্ত ত্রিবেদির লড়াকু ৬৮ রানের কল্যাণে শেষ অবধি ২৫২ অবধি পৌঁছায় ভারতের সংগ্রহ। শেষদিকে নিজেদের দাপটা ধরে রাখতে পারেননি আবদুল সুবহান, মোহাম্মদ সায়েমরা। তাইতো সমীকরণ মেলানো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

পাকিস্তান দলের অন্যতম সেরা ব্যাটার সামির মিনহাস দ্রুতই প্যাভিলিয়নে ফিরলে সংকট আরও বেড়ে যায়। তবে হামজা জহুর ও উসমান খানের জুটিতে প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠা সমীকরণ মেলানো স্বপ্ন তখনও ছিল পাকিস্তানের জন্য জীবিত। অধিনায়ক ফারহান ইউসুফ যেন খুব করে চাইছিলেন যতদ্রুত সম্ভব ম্যাচ জেতা যায়।
কিন্তু আর এস আমব্রিসের বলে ইউসুফ আউট হলে ভারতের জন্য বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীন হয়ে যায়। কিন্তু পাকিস্তানের বাকি ব্যাটাররা আর কোন প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। যার ফলস্বরুপ ১৯৪ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। তাতে করে তাদের বিশ্বকাপ অভিযাত্রা সমাপ্ত।
অন্যদিকে ছয় পয়েন্ট ও বিশাল রানরেটের মানসিক শক্তি নিয়ে, ভারত পৌঁছায় সেমিফাইনালে। বিশ্বকাপ জয়ের জন্য আরও বেশি উদগ্রীব হয়ে গেল আয়ুশ মাহত্রের দল।












