ভারত-পাকিস্তান মহারণকে কেন্দ্র করে আলোচনায় উঠে এসেছে প্রেমাদাসার উইকেট। এই উইকেটে খুব বেশি রান তোলাটা যেমন কঠিন, তেমনই আবার কম রান করলেও বল চলে যেতে পারে প্রতিপক্ষের কোর্টে। বোলিংয়ে স্পিন ও ভ্যারিয়েশনই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিতে পারে।
এই ম্যাচে দুই দলের একাদশেই একাধিক স্পিনারের দেখা মিলতে পারে। ভারতের একাদশে বরুণ চক্রবর্তীর সাথে অক্ষর প্যাটেল। পাকিস্তানের জার্সি গায়ে আবরার আহমেদের পাশাপাশি তুরুপের তাস হতে পারেন উসমান তারিক।
গত মৌসুমের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) বরুণ নিজের বোলিং দর্শনে পরিবর্তন এনেছিলেন। সাইডস্পিনের বদলে ওভারস্পিনে ঝুঁকে তিনি টার্নের বদলে অ্যাঙ্গেল তৈরিতে মনোযোগ দেন। ঘন্টায় প্রায় ৯৫ কিলোমিটার গতিতে বল করা এই স্পিনারকে অবশ্য ধীর উইকেটে কিছুটা গতি কমাতে হতে পারে।

অন্যদিকে পাকিস্তানের হয়ে বাজিমাত করতে পারেন উসমান তারিক। তার বিতর্কিত অ্যাকশন ইতোমধ্যেই ক্রিকেট মহলে বেশ আগ্রহ তৈরি করেছে।
উসমান তারিকের চোখের লেভেলের নিচ দিয়ে করা ডেলিভারি ভারতীয় ব্যাটারদের ঝড়ের গতিতে রান তোলা ব্যহত করতে পারে। পাশাপাশি তার ক্রিকেটবোধ ও ম্যাচ পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতাও প্রশংসনীয়।
এদিকে আবরার আহমেদ আগেও ভারতীয় ব্যাটারদের বিপক্ষে খেলেছেন। তবে এই উইকেট তার বোলিং অন্য যেকোন বারের তুলনায় আরও কার্যকর হতে পারে। গুগলি ও ক্যারম বলই হতে পারে এই উইকেটে আবরারের প্রধান অস্ত্র। বেশি ফ্লাইট না দিয়ে স্টাম্প টার্গেট করে নিখুঁত লাইন লেংথ বজায় রাখলেই ভারতীয় ব্যাটিংকে থমকে দিতে পারেন তিনি।
সব মিলিয়ে ধীর ও স্পিন সহায়ক উইকেটে দুই দলের স্পিন আক্রমণই ম্যাচের দৃশ্যপট বদলে দিতে পারে। আর সেই কারণেই এই ম্যাচে ব্যাটারদের দিতে হতে পারে টেকনিক ও ধৈর্যের এক কঠিন পরীক্ষা।











