বোলিং তোপে ভারতের দূর্দান্ত প্রত্যাবর্তন

বোলারদের দাপট, ব্যাটারদের দৃঢ়তা- দুইয়ের মিশেলে ভারতের বাউন্স ব্যাক। দক্ষিণ আফ্রিকার সাত উইকেটের পরাজয়।

বোলারদের দাপট, ব্যাটারদের দৃঢ়তা- দুইয়ের মিশেলে ভারতের বাউন্স ব্যাক। দক্ষিণ আফ্রিকার সাত উইকেটের পরাজয়। সিরিজে এগিয়ে টিম ইন্ডিয়া। ছয় বোলারের প্রত্যেকেই পেয়েছেন উইকেটের দেখা। দ্বিতীয় ম্যাচের পরাজয়ের গ্লানি পেরিয়ে দূর্দান্ত কামব্যাক।

দ্বিতীয় ম্যাচে, ৫১ রানের পরাজয়। তৃতীয় ম্যাচে ভারতকে পেতেই হতো একটা স্টেটমেন্ট দেওয়া জয়। সেই প্রত্যয়ে টসে জিতে আবারও বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত সুরিয়াকুমার যাদবের। এদফা আর ভুল করলেন না ভারতীয় বোলাররা। বিশেষ করে, আর্শদ্বীপ সিং। এদিন তিনি দুর্ধর্ষ বোলার রুপে আবির্ভূত হলেন।

প্রথম ওভারে উইকেট তুলে নেন আর্শদ্বীপ, প্রথম স্পেলের তিন ওভারে তার খরচা মাত্র নয় রান। তার সাথে সঙ্গ দিয়ে উইকেট শিকারের মিশনে নেমে পড়েন হার্শিত রানা। পাওয়ার প্লে- শেষে ভারতের বোলিং তোপে ২৫ রান তুলতেই তিন উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা। এরপর সেখান থেকে ঢাল হয়ে দাঁড়ানোর ব্রত নিয়ে ফিফটি হাঁকান এইডেন মার্করাম।

মার্করামের ৪৬ বলে ৬১ রানের কল্যাণেই, ১১৭ অবধি পৌঁছাতে পেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আর্শদ্বীপ, হার্শিত, বরুণ চক্রবর্তী ও কুলদ্বীপ- প্রত্যেকে নেন দুইটি করে উইকেট। এত স্বল্প রানের লক্ষ্যমাত্রা ভারতের জন্য বিন্দুমাত্র নয় মাথাব্যথা। কোন প্রকার চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দিতে পারেনি সফরকারী বোলাররা।

অভিষেক শর্মা যথারীতি আগ্রাসনের সাথে রানের খাতা খুললেন। সেই ধারায় এদিন শুভমান গিলও যুক্ত হলেন। তবে নির্ভার ভারতীয় ব্যাটিং ইউনিট বড়সড় ইনিংস খেলার প্রয়াশই করেননি। দ্রুত ম্যাচ শেষ করার তাড়নাও সেই অর্থে পরিলক্ষিত হয়নি।

অভিষেকের ১৮ বলের ৩৫ রানের ইনিংসটিই ভারতকে জয়ের ভীত গড়ে দেয়। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে ভারত।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link