টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবচেয়ে নিখুঁত এবং ভারসাম্যপূর্ণ দল বোধহয় ভারতই। ব্যাটিং থেকে বোলিং, খুঁত বের করাটা এক দুঃসাধ্য কাজই বটে। তবে সত্যিই কি ত্রুটিমুক্ত দল ভারত? খালি চোখে তা মনে হলেও বাস্তবিক অর্থে বেশ কিছু সমস্যার জায়গা আছে।
- সুরিয়াকুমার যাদবকে নিয়ে যত ভয়
দলের নেতার কাজ দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া, অন্যদের খারাপ সময়ে ব্যাকআপ দেওয়া। এক্ষেত্রে সুরিয়া নিজেই নিজেকে সামলাতে পারছেন না। ফর্মহীনতার একেবারে চূড়ায় রয়েছেন তিনি।
২০২৫ সালে খেলা ২১ ম্যাচে তাঁর মোট রান ২১৮। গড় নেমে এসেছে ১৩.৬২-এ, স্ট্রাইক রেট মাত্র ১২৩.১৬। একজন অভিজ্ঞ টি-টোয়েন্টি ব্যাটার এবং দলের অধিনায়কের জন্য এই পরিসংখ্যান যে স্বস্তির নয়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই বিশ্বকাপে এমন ফর্মহীন অধিনায়ক দলের জন্য দুশ্চিন্তারই বটে।

- মিডল অর্ডারে সংশয় আছে
একটা দীর্ঘসময় ধরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়েছে মিডল অর্ডার নিয়ে। এর পেছনের বড় একটা কারণ সাঞ্জু স্যামসন ছিলেন। টপ অর্ডারে তাঁর জায়গা না হওয়ায় মিডল অর্ডারে স্থায়ী করা হয়েছিল তাঁকে। তবে ফিক্সড ছিল না পজিশন। ফলে তিলক ভার্মা, শিবম দুবেদের স্থিতিশীল থাকার উপায় ছিল না।
শুভমান গিল নেই। তাই তো ওপেনিংয়ে ফিরছেন সাঞ্জু। ফলে মিডল অর্ডারে আবারও পরীক্ষিত ব্যাটাররা থাকছেন। তবে এতদিন পরীক্ষা চলেছে, সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে কিছুটা ফিক্সড হলেও বড় মঞ্চে যাওয়ার আগে একটা আশঙ্কা থাকছেই। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকায় বড় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কিছুটা বেগ পেতে হতেই পারে।
- ভারতের প্রতিপক্ষ সবাই
বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হলেও নানা কার্যকাণ্ডে নিজেদের চারপাশ ঘোলাটে করে রেখেছে তারা। বাংলাদেশ যেতে চাইছে না নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়রা ভিসা পাচ্ছে না। ফলে ক্ষোভের আগুনের সামনে দাঁড়িয়ে আছে ভারত।

এত গেল সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ বরাবরই একটা বাড়তি চাপ। হ্যাঁ, দর্শকদের সাপোর্ট পাওয়া যায়, পরিবেশ অনুকূলে থাকে, তবে প্রত্যাশাও যে মেটানোর তাড়না বেশি থাকে। আর এটাই যে বাড়ায় বাড়তি চাপ। ঘরের মাঠে ওয়ানডে বিশ্বকাপে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের কারণে হারাতে হয়েছিল শিরোপা। এবারও যে সে শঙ্কাকে উড়িয়ে দেওয়ার জো নেই।











