নিউজিল্যান্ডের আক্ষেপের দিনে বিশ্বসেরা ভারত!

অপয়া আহমেদাবাদ ভারতকে এবার আর খালি হাতে ফেরাল না। যা কিছু নিয়েছিল তা ইতিহাস করেই ফিরিয়ে দিল। তিনবারের মতো ক্রিকেটের ছোট সংস্করণে বিশ্বজয়ের স্বাদ পেল ভারত। নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে প্রথম কোনো আয়োজক দল হিসেবে বিশ্বজয় করল। শুধু কি তাই, টানা দুইবার শিরোপা যে ভারত ব্যতীত কেউ নিতে পারেনি। নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম যেন ভারতকে দুহাত ভরেই সব দিল।

অপয়া আহমেদাবাদ ভারতকে এবার আর খালি হাতে ফেরাল না। যা কিছু নিয়েছিল তা ইতিহাস করেই ফিরিয়ে দিল।  তিনবারের মতো ক্রিকেটের ছোট সংস্করণে বিশ্বজয়ের স্বাদ পেল ভারত। নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে প্রথম কোনো আয়োজক দল হিসেবে বিশ্বজয় করল। শুধু কি তাই, টানা দুইবার শিরোপা যে ভারত ব্যতীত কেউ নিতে পারেনি। নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম যেন ভারতকে দুহাত ভরেই সব দিল।

আহমেদাবাদের স্নিগ্ধ সন্ধ্যায় ঝড়কে বাড়ি গিয়েই যেন আমন্ত্রণ জানিয়ে আসে নিউজিল্যান্ড। টস জিতে বেছে নেয় বোলিং করার সিদ্ধান্ত। পুরো আসরজুড়ে চুপ থাকা অভিষেক শেষ ম্যাচে এসে লাগামহীন ব্যাটটা ছুটিয়ে দিলেন। পাওয়ার প্লেতেই ভারতের ভাগ্য নির্ধারণ করে ফেললেন।

এক পাশে সাঞ্জু স্যামসনও রানের অবিচল ধারা অব্যাহত রাখলেন। ২১ বলে ৫২ করা অভিষেক ফিরলে সেই পথ ধরে এসে প্রলয় নৃত্য শুরু করলেন ইশান কিষাণ। খেলেন ৫৪ রানের এক বিধ্বংসী নক। তবে আক্ষেপে মোড়া ইনিংসটা খেলেন সাঞ্জু, ৮৯ রানে ফিরতে হয় তাঁকে। তবে ততক্ষণে যা ক্ষতি করার সেটা করে গেছেন তিনি। শেষদিকে শিভাম দুবের ২৬ রানের ক্যামিওর সুবাদে ভারতের স্কোরবোর্ডে আসে ২৫৫ রানের বিশাল সংগ্রহ।

কার্যত এই ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের সম্ভাবনা ছিল শূন্যের কোটায়। একে তো ফাইনালের চাপ, তার ওপর রানের পাহাড়—সব মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের স্বপ্নটা শেষ হয়ে যায় প্রথম ইনিংসেই।

তবে একটা চেষ্টা তো করাই যায়। সেটাতেও ব্যর্থ কিউইরা। ফিন অ্যালেনের ওপর ভরসা ছিল তাদের, তবে ফাইনাল ম্যাচে মাথা নিচু করেই সাজঘরে ফিরতে হলো তাঁকে। মিডল অর্ডারে কেউ দাঁড়াতে পারেনি। তবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন এক টিম সেইফার্ট। সঙ্গীহীন শেষ চেষ্টাটাও থেমেছে ৫২ রানেই।

২৫৬ রান চেজ করতে নেমে ৭২ রানে পাঁচ উইকেট হারানো একটা দলের যে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। তবে শেষদিকে কাপ্তান মিচেল স্যান্টনার মান বাঁচানোর জন্য এক লড়াই চালান। তবে জাসপ্রিত বুমরাহ, অক্ষর প্যাটেলদের বোলিং তোপে ১৫৯ রানেই থামতে হয় নিউজিল্যান্ডকে। আরও এক ফাইনাল হারের ক্ষত যুক্ত হয় কিউইদের ভেঙেচুরে যাওয়া হৃদয়ে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link