আইসিসির টুর্নামেন্টে ভারতের একচ্ছত্র আধিপত্য

ক্রিকেট এখন ভারতের নিজস্ব রাজত্ব। বাকি দলগুলো স্রেফ সেখানে দর্শক। মাঠে তাঁদের পারফরম্যান্স তাঁদের এই জায়গাটা দিয়েছে। আইসিসি ইভেন্টে এখন ভারতীয় দলের চলছে একচ্ছত্র আধিপত্ত।

ক্রিকেট এখন ভারতের নিজস্ব রাজত্ব। বাকি দলগুলো স্রেফ সেখানে দর্শক। মাঠে তাঁদের পারফরম্যান্স তাঁদের এই জায়গাটা দিয়েছে। আইসিসি ইভেন্টে এখন ভারতীয় দলের চলছে একচ্ছত্র আধিপত্ত।

২০১১ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনি দলকে এনে দিয়েছিলেন শিরোপা, এরপর আর পিছনে ফিরে তাকায়নি তাঁরা। গত ১৪ বছরে আরো তিন তিনটা ট্রফি ঝুলিতে পুরেছে – এর মধ্যে দুইটা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ আর একটা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

২০১১ থেকে ২০২৫ – এ সময়ে অস্ট্রেলিয়াও কিন্তু চারবার মেজর টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কিন্তু পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতায় টিম ইন্ডিয়ার আশেপাশেও নেই অজিরা। ২০১১ সাল থেকে বৈশ্বিক আসরে ৮৬ ম্যাচ খেলে ৭০টিই জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। অথচ আর কোন দল ৫০টা ম্যাচও জিততে পারেনি, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অস্ট্রেলিয়া ৪৯ ম্যাচ জিতেছে।

এছাড়া ২০১১ সাল থেকে সবমিলিয়ে তেরোটা আইসিসি টুর্নামেন্ট হয়েছে, এর সবকয়টিতেই নকআউট পর্বে ছিল ভারত। চারবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি পাঁচবার রানার আপ হয়েছিল তাঁরা। ফরম্যাট ভেদে, আয়োজক দেশের উইকেট ভেদে তাঁদের দাপট ছিল ধ্রুব।

কেবল ওয়ানডে ফরম্যাটের কথা ভাবলে আকাশী-নীল জার্সি ধারীরা আরো অপ্রতিরোধ্য। ৫২ ম্যাচের মধ্যে ৪৪টাতেই জিতেছে তাঁরা। ২০১৯ বিশ্বকাপ, ২০২৩ বিশ্বকাপ – দুইটা টুর্নামেন্টেই গ্রুপ পর্বে অপরাজিত ছিল দলটা। আর ২০১৩ এবং ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তো তাঁরা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন!

আপনি চাইলে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব খুঁজতে পারেন তবে ভারত এগিয়ে যাচ্ছে তাঁদের পরিকল্পনা দিয়ে। একই স্টেডিয়ামে পুরো টুর্নামেন্ট খেলা অবশ্যই বাড়তি সুবিধা করে দিয়েছে, কিন্তু সেই সুবিধা নেয়ার জন্য হলেও তো পারফরম করতে হয়েছে তাঁদের। আর পাকিস্তানের মাটিতে ভারতীয় ব্যাটাররা যে রানউৎসবে মেতে উঠতেন না সেটারও বা নিশ্চয়তা কি? কন্ডিশন কবে, কোথায় আটকে রেখেছিল ভারতকে?

Share via
Copy link