প্রথম টেস্টে ব্যাট হাতে একেবারেই ব্যর্থ শার্দুল ঠাকুর, বল হাতে তো তাঁর উপর ভরসা খুঁজে পাননি অধিনায়ক শুভমান গিল। ভারত যেন একপ্রকার অপচয় করেছে একাদশের একটি স্লট। তাই তো ইংল্যান্ডের সাথে হারের অনেকটা জায়গা জুড়ে রয়েছে তাঁকে নিয়ে ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনা।
স্কোয়াডে শার্দুল ঠাকুরের ভূমিকা ছিল ব্যাটিংয়ে লোয়ার অর্ডার কভার দেওয়া। সেই সাথে যেহেতু তিনি বোলিং অলরাউন্ডার তাই বুমরাহ-প্রসিদ্ধদের মতোই তাঁকে নিয়ে প্রত্যাশার জায়গাটা একটু বেশিই ছিল।
সেই প্রত্যাশার সামান্যতম ছাপটা ব্যাট হাতে রাখতে পারেননি তিনি। প্রথম ইনিংসে করেন মাত্র ১ রান, দ্বিতীয় ইনিংসে একটু বাড়িয়ে ৪। ভারতের শেষ দিকে ব্যাটিং কলাপ্সের অনেকটা দায় তাঁর উপরই বর্তায়।

তবে আশা ছিল বল হাতে হয়তো ব্যর্থতার গ্লানি কিছুটা হলেও ঘুচাবেন তিনি। সেখানে তো অধিনায়ক তাঁর উপর ভরসা করেননি। বল হাতে প্রথম ইনিংসে করেছেন মাত্র ৬ ওভার, যেখানে ৩৮ রান দিয়ে কোন উইকেট পাননি। এমনকি তাঁর বল ইংলিশ ব্যাটাররা সাবলীল ভাবেই খেলেছে।
টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে ৩৭১ রানের বড় সংগ্রহ ইংল্যান্ডকে টপকাতে হতো। বুমরাহর উপরই সব চোখ ছিল দলটির। তবে এ ইনিংসে তাঁকে ব্যর্থ প্রমাণ করে রুট-ডাকেটরা। প্রতিদিন সবার সমান যায় না, তাই তো ব্যাকআপ হিসেবে থাকা প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ কিংবা শার্দুল ঠাকুরকে জ্বলে উঠতেই হতো।
একটা সময় পর্যন্ত গিল তাঁকে বলেই আনেননি। মাঝখানে নিরুপায় হয়েই বল তুলে দেওয়া হয় তাঁর হাতে। তবে পরপর দুই উইকেট তুলে ভারতকে একটা ক্ষীণ আশা দেখালেও কাজের কাজ আর কিছুই হয়নি। ১০ ওভার বল করে ৫১ রান দিয়ে শিকার দুই উইকেট।

এমন পারফরম্যান্সের পর তাই তো তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কেন তিনি দলে? স্কোয়াডে নীতিশ কুমার রেড্ডির মতো অলরাউন্ডার রয়েছেন। মোহাম্মদ সামির মতো অভিজ্ঞ বোলারকে দলে জায়গা হারাতে হয়েছে। তাঁদের টেক্কা দিয়ে কতটা ইমপ্যাক্ট রাখতে পারলেন শার্দুল! এরপরও কি দ্বিতীয় টেস্টে জায়গা হবে তাঁর?











