কিছু দল কেবল ক্যালেন্ডারের দিকে তাকিয়ে সময় গুনছে, আর কিছু দল প্লে-অফের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে। অন্তিম পর্বে পৌঁছে গেছে আইপিএল ঋতু। এবার সময় হিসাব-নিকাশের, নির্মম বিচারের। এই বিচারে পড়ে গেছেন অনেকেই, যাদের ওপর আসছে মৌসুমে দলগুলো আর ভরসা রাখবে না।
- ঋষাভ পান্ত (লখনৌ সুপার জায়ান্টস)
লখনৌ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক ঋষাভ পান্ত তালিকার সবচেয়ে আলোচিত নাম। পারফরম্যান্সে ছিলেন যেন একান্তই লেজেগোবড়ে। ১৫১ রান, ১৩.৭২ গড়, ১০০-এর আশেপাশে স্ট্রাইক রেট — এই পরিসংখ্যান তার নামের পাশে বড় অস্বস্তিকর।

২৭ কোটি রুপি খরচ হয়েছে নিলামে, তাকে এক মৌসুম পরই বিদায় জানানোটা ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকেও খুব কঠিন। সেই কাজটাই সম্ভবত করবে লখনৌ সুপার জায়ান্টস।
- ভেঙ্কটেশ আইয়ার (কলকাতা নাইট রাইডার্স)
ভেঙ্কটেশ আইয়ারের বেলায় কলকাতা নাইট রাইডার্স হয়তো এতটা ধৈর্য দেখাবে না। একসময় যে অলরাউন্ডার কেকেআরের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, তিনি এবার ব্যাট হাতে ১৪২ রানে থেমে গেছেন।

না আছে ধারাবাহিকতা, না আছে সেই পুরনো ঝলক। আর বল হাতে পুরোপুরি নীরব—একটিও বল করেননি মৌসুমজুড়ে। ফলে, কেকেআরের রিটেইন তালিকায় স্বাভাবিক ভাবেই থাকবে না আইয়ারের নাম।
- মোহাম্মদ শামি (সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ)
মোহাম্মদ শামিকে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ ১০ কোটি রুপিতে দলে নিয়েছিল। কিন্তু পুরো মৌসুমে নয়টি ম্যাচে মাত্র ছয়টি উইকেট পেয়েছেন তিনি। গড় ৫৬.১৭ এবং ইকোনমি রেট ১১.২৩— সিনিয়র পেসারের হতাশাজনক পারফরম্যান্টের পর শেষ পর্যন্ত তাঁকে বেঞ্চেই বসিয়ে রেখেছিল হায়দ্রাবাদাদ ম্যানেজমেন্ট।

- লিয়াম লিভিংস্টোন (রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু)
একইভাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর লিয়াম লিভিংস্টোনও এবারের আসরে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৮.৭৫ কোটি রুপিতে কেনা এই ইংলিশ অলরাউন্ডার সাত ম্যাচে করেছেন মাত্র ৮৭ রান, স্ট্রাইক রেট ১২৮।
পাশাপাশি তাঁর অফস্পিনে মিলেছে মাত্র দুই উইকেট। এমন পারফরম্যান্সে তাঁকে ধরে রাখার মতো জোরালো কোনো কারণ পাচ্ছে না ব্যাঙ্গালুরু শিবির। ফলে, ব্যাঙ্গালুরুর সাথে বন্ধন ছিন্ন হতে চলেছে তাঁর।











