ঈশানের ব্যাটে পাকিস্তানের মোমেন্টাম নষ্ট

ঈশান কিষাণ যখন বোল্ড হলেন সাইম আইয়ুবের বলে, ততক্ষণে পাকিস্তানের গড়া মোমেন্টাম ধুলোর সাথে মিলিয়ে গেছে। ধুন্ধুমার ব্যাটিংয়ের চিরপ্রতিদ্বন্দীদের আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরিয়েছেন ঈশান।

ঈশান কিষাণ যখন বোল্ড হলেন সাইম আইয়ুবের বলে, ততক্ষণে পাকিস্তানের গড়া মোমেন্টাম ধুলোর সাথে মিলিয়ে গেছে। ধুন্ধুমার ব্যাটিংয়ের চিরপ্রতিদ্বন্দীদের আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরিয়েছেন ঈশান। বলকে থমকে দেওয়া উইকেট থামাতে পারেনি ঈশানকে। তিনি নিজের ছন্দে, আপন আনন্দে ব্যাট চালিয়েছেন প্রচণ্ড প্রতাপের সাথে।

ইনিংসের প্রথম ওভারেই অভিষেক শর্মা ফেরেন প্যাভিলিয়নে। সালমান আলী আঘার সারপ্রাইজের ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু দলকে কি করে ফ্রন্টফুটে আনতে হয় তা ঈশানের বেশ ভাল করেই জানা। তাইতো তিনি শাহীন শাহ আফ্রিদিকে বাইশ গজে স্বাগত জানান ছক্কা হাঁকিয়ে। পাকিস্তানের প্রিমিয়াম পেসারের প্রথম দুই বলেই ঈশান হাঁকান দু’খানা বাউন্ডারি।

অভিষেকের বিদায়ের পর সৃষ্ট চাপকে সেই দুই বাউন্ডারিতেই পাকিস্তানের উপর আবার স্থানান্তর করে দেন। সাইম আইয়ুব কিংবা শাদাব খানের ঘূর্ণি তাকে টলাতে পারেনি। নিজের আপন ঢঙে বাউন্ডারির অবারিত বৃষ্টি ঝড়িয়েছেন তিনি বাইশ গজে। ৪০ বলে ৭৭ রানের ইনিংসটিতে ১০টি চার ও তিনটি ছক্কা এসেছে ঈশানের ব্যাট থেকে। তিনি রীতিমত হয়ে উঠেছিল অপ্রতিরোধ্য।

কিন্তু ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের স্নায়ুচাপে পায়ের পেশিতে টান লেগে যায় ঈশানের। এরপরও তিনি রিভার্স সুইপে বাউন্ডারি হাঁকান সাইমের বলে। কিন্তু কোথাও না কোথাও, ইনজুরি হয়ত একটু বাধার সৃষ্টি করেছে। ঘটিয়েছে মনোযোগের ঘাটতি। আর সেই ফায়দাই তুলে নিয়েছেন সাইম আইয়ুব।

ঈশান যখন আউট হন, তখন আরেকপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা তিলক ভার্মার রান ছিল ৮ বলে ১১। কতটা বিধ্বংসী ছিলেন ঈশান কিষাণ- সেটা নিশ্চয়ই আর না বলে দিলেও চলছে নিশ্চয়ই। তার ওই ইনিংসটির কারণেই প্রথম ওভারে সালমানের এনে দেওয়ার মোমেন্টামকে ক্যাপিটালাইজ করা হয়ে ওঠেনি পাকিস্তানের।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link