নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ইতালির জন্য পরাজয়ই হল সঙ্গী। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে অভিজ্ঞতার বিচারেই পিছিয়ে পড়ে দলটি। যার ফলে ৭৩ রানের বিশাল পরাজয় বরণ করতে হয়েছে ইতালিকে। যদিও তাদের ইতিবাচক অ্যাপ্রোচ আশা জাগাচ্ছে ভবিষ্যতে আর ভাল কোন ফলাফলের।
বিশ্বকাপে খেলার কথাই ছিল না স্কটল্যান্ডের। ভাগ্যক্রমে পাওয়া সুযোগটা দু’হাতেই লুফে নিয়েছে স্কটিশরা। ইতালির বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে স্কোরবোর্ডে তোলে তারা ২০৭ রানের বিশাল সংগ্রহ। রানের বিচারে যার সিংহভাগ কৃতীত্ব স্কটিশ ওপেনার জর্জ মুন্সির। ৮৪ রানের একটা দারুণ ইনিংস খেলেছেন তিনি। ১২৬ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েন তিনি মাইকেল জোন্সকে সঙ্গী করে।\

এরপর স্কটল্যান্ডের সংগ্রহকে বাড়তি বুষ্ট দেয় ব্র্যান্ডন ম্যাকমুলানের স্বল্প দৈর্ঘ্যের ঝড়। মারত ১৮ বলে ৪১ রান তোলেন ম্যাকমুলান। হাঁকান চারটি বিশাল ছক্কা। মাইকেল লিস্ক তো আরেক কাঠি সরেশ। মাত্র ৫ বলে তিনি তোলেন ২২টি গুরুত্বপূর্ণ রান। তাতেই ২০০ ছাড়ায় স্কটল্যান্ডের পুঁজি।
গ্র্যান্ট স্টুয়ার্ট ইতালির বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম উইকেট শিকার করেন। এছাড়াও আরও তিন বোলার একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন। লক্ষ্যমাত্রা ইতালির জন্য বিশাল বড়। তবুও ইতালি লড়াই করতে চাইল। জাস্টিন মোস্কা শূন্যরানে ফেরার পরও, প্রথম তিন ওভারে দশের বেশি রানরেটে রান তুলেছেন ইতালির ব্যাটাররা।

এরপর হ্যারি মানেন্তি, ও বেন মানেন্তির যুগলবন্দীতে জয়ের মৃদু স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছিল নবাগত ইতালির। তাদের পক্ষে বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম হাফসেঞ্চুরি হাঁকান বেন মানেন্তি। তবে মানেন্তি ভ্রাতৃদ্বয়ের বিদায়ের পর চোখের পলকে গুটিয়ে যায় ইতালি। তাদের সংগ্রাম থামে ১৩৪ রানে। এই বিশ্বকাপে ইতালির প্রাপ্তির খাতায় হয়ত জয় যুক্ত হবে না, তবে এবারের অভিজ্ঞতাগুলো তাদের ভবিষ্যত ক্রিকেটের জন্য হয়ে রইবে অনুপ্রেরণা।











