একসময় ছিলেন দলের অন্যতম বড় ভরসার নাম। সব সমস্যার সমাধান খোঁজা হচ্ছিল জাকের আলীর মধ্যে। এমনকি সকলের আশার প্রতিদান দিয়ে জাতীয় দলে আসার পর শুরুর দিকে ফলও দেখা যাচ্ছিল। ভালো করেছিলেন বেশ অনেকগুলো ম্যাচেও।
সব দিনে সূর্য উজ্জ্বল আলো দেয় না, কখনও কখনও কালো মেঘে ঢেকে যায় চারিপাশ। না তেমনি সবার জীবনে আলো-আধারি থাকে। জাকের আলী অনিকেরও এমন অবস্থা এখন। তার জীবনের পাশার দান উল্টে গেছে।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ থেকে জাকের আলী এখন হারিয়ে যাওয়া আক্ষেপ। অন্ধকারে ডুবে আছে ভবিষ্যৎ। জাতীয় দলের ভাবনা থেকে এখন এতটাই দূরে চলে গেছেন, যেখান থেকে গন্তব্যটা দেখা যায় না ঠিকঠাক।

তবে সব সময়েই নিজের কাজের ক্ষেত্রে ভালো করা সম্ভব হয় না। ভালো দিনের পর খারাপ দিন আসতেই পারে। জাকের আলীরও এমন হয়েছে। ক্রিকেটের অন্য এক দিক এখন তাকে দেখতে হচ্ছে।
থেমে যাবেন? বসে যাবেন? না। চেষ্টা করা, লড়াই করা চালিয়ে যেতে হবে। জাকের আলীর মনের অবস্থাও এখন তেমন। লড়াই তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন। আবার, ফিরে আসার জন্য তিনি যেন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
জাকের আলী অনিকের লেগসাইড-কেন্দ্রিকতার কথা সবারই জানা। একেবারে অফ-সাইডের বলও জোর করে লেগে টেনে মারার প্রবণতা আন্তর্জাতিক ম্যাচেও আমরা দেখেছি। নিজের যেসব দুর্বলতা আছে সেগুলো এখন কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন। শিখছেন নতুন শট। অফসাইডে শক্তি বাড়ানোর জন্য ঘাম ঝরিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

জাকের আলী অনিকের মধ্যে ফিরে আসার চেষ্টা আছে। হয়তো তিনি আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবেন। তবে জীবনের দুটো দিকই দেখে ফেলা জাকের হয়তো হয়ে যাওয়া ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি করতে চাইবেন না কখনোই।









