ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে দিয়ে ম্যাচ জিতল জাপান

জাপাল লিখল এক রেমন্তাদা রুপকথা। ব্রাজিলের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়া দলটা শেষ অবধি জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে।

জাপাল লিখল এক রেমন্তাদা রুপকথা। ব্রাজিলের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়া দলটা শেষ অবধি জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। কার্লো আনচেলত্তির শীষ্যদেরকে খানিকটা দুশ্চিন্তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে এশিয়ান জায়ান্টরা।

এই তো সেদিন দক্ষিণ কোরিয়াকে হেসে খেলে হারিয়েছে ব্রাজিল। ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে তারা ম্যাচটি জিতেছিল। জাপানের বিপক্ষেও সেই ধারাই যেন অব্যাহত রাখার আভাস দিয়েছিল সেলেসাওরা। প্রথমার্ধেই পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এগিয়ে যায় ২-০ গোল ব্যবধানে।

ম্যাচের ২৬ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল করেন ব্রাজিলিয়ান ফুলব্যাক পাউলো হেনরিক। ব্রুনো গুইমারেসের রক্ষণ চেড়া পাসে গোল আদায় করেন হেনরিক। এর ঠিক ছয় মিনিট পরে স্কোরশিটে নাম তোলে গ্যাবরিয়েল মার্টিনেল্লি। লুকাস পাকুয়েতার বাড়ানো বলকে দারুণ দক্ষতায় জালে জড়ান মার্টিনেল্লি।

প্রথমার্ধেই ম্যাচের লাগাম নিজেদের হাতে নিয়ে নেন ভিনিসিয়াস জুনিয়ররা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে এশিয়ান জায়ান্টদের ব্রতই যেন ছিল লাগাম রীতিমত কেড়ে নেওয়া। দ্বিতীয় অর্ধ শুরু হওয়ার সাত মিনিটের মাথায়, গোল ব্যবধান কমায় জাপান। তাকুমি মিনামিনো ব্রাজিলের রক্ষণের সকল প্রতিরোধ টপকে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন।

দশ মিনিটের মাথায় সমতায় ফেরে জাপান। এদফা বদলি হিসেবে নামা জুনিয়া ইতোর বাড়ানো বল থেকে গোল করেন কেইতো নাকামুরা। ইতো বনে যান জাপানের কোচ হাজিমে মোরিয়াসুর ‘সুপার সাব’। তৃতীয় গোলের কারিগরও ছিলেন তিনি। এদফা জাপানিস স্ট্রাইকার আয়াসে উয়েদাকে দিয়ে গোল করার জুনিয়া ইতো।

তাতে করে শেষ অবধি স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৩-২। সেই স্কোরলাইনে আর কোন পরিবর্তন শেষ অবধি আনতে পারেনি, কার্লো আনচেলত্তির দল। তাতে করে এবারের আন্তর্জাতিক বিরতি অম্ল-মধুর কাটল ব্রাজিলের। একটি প্রীতি ম্যাচে দাপট দেখালেও, পরের ম্যাচেই খাবি খেয়েছে দল। এখনও আনচেলত্তির কাঁটাছেড়া করতে হবে অনেক।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link