আন্তর্জাতিক বিরতির আগে শতভাগ জয়ের রেকর্ড রাখতে পারল না বার্সেলোনা। রায়ো ভায়েকানোর মাঠে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ১-১ ড্র করেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে হ্যান্সি ফ্লিকের দলকে। বদলি হিসেবে নেমে ফ্রান পেরেজ স্বাগতিকদের জন্য নিশ্চিত একটি পয়েন্ট এনে দেন।
প্রথমার্ধে লামিন ইয়ামালের পেনাল্টিতে এগিয়ে গিয়েছিল কাতালানরা। যদিও ম্যাচ জুড়ে জয়ের মত পারফরম্যান্সই দেখিয়েছে প্রতিপক্ষ — দু’বার অফসাইডের বাঁশিতে গোল বাতিল হয়েছে তাঁদের।
গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া ছয়টি সেভ না করলে আরও বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হতো বার্সেলোনাকে। এই ড্রয়ের ফলে লিগ টেবিলে রিয়াল মাদ্রিদ ও অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের সঙ্গে ব্যবধান আরও বাড়ল কাতালানদের।

৪০ তম মিনিটে ইয়ামাল বক্সে পড়ে গেলে রেফারি পেনাল্টি দেন। সেই সময় ভিএআর সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। ঠাণ্ডা মাথায় ১৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড বল পাঠান জালের মাঝ বরাবর।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আধিপত্য বিস্তার করলেও লিড বাড়াতে ব্যর্থ হয় বার্সেলোনা। অবশেষে ৬৭ তম মিনিটে সমতায় ফেরে রায়ো। ইসি পালাজনের কর্নার থেকে ব্যাক পোস্টে দাঁড়ানো ফ্রান পেরেজ চমৎকার ভলিতে বল পাঠান জালে। শেষ দিকে স্বাগতিকদের জয়ের স্বপ্ন আরও বড় হয়।
৮৫তম মিনিটে সার্জিও কামেলোর গোল উদযাপনও হয়েছিল, তবে তখনই বেজে ওঠে অফসাইডের বাঁশি। এর আগে ৫৪ তম মিনিটেও একটা গোল অফ সাইডের জন্য বাতিল হয়।

রাতটি যদিও ড্রয়ে শেষ, তবু উজ্জ্বল ছিলেন ইয়ামাল। তিনটি শট থেকে তার প্রত্যাশিত গোলের মান কিংবা এক্সপেক্টেড গোলের মান ছিল ০.৮৭। শুধু তাই নয়, নতুন এক রেকর্ডও গড়লেন তিনি—২১ শতকে লা লিগায় সবচেয়ে কম বয়সে পেনাল্টি থেকে গোল করা খেলোয়াড় এখন লামিন। গোলটি করার সময় লামিনের বয়স ছিল ১৮ বছর ৪৯ দিন।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য রায়োই আধিপত্য বিস্তার করে। এক্সজি মানের হিসেবেও (১.৭৯ বনাম ১.৭৭) তারা এগিয়ে ছিল বার্সেলোনার চেয়ে। বার্সেলোনার ১.৭৭-এর বিপরীতে রায়োর মান ছিল ১.৭৯। বার্সেলোনার ১২ শটের বিপরীতে তাঁরা গোলমুখে শট নেয় ১৩ টি। সব মিলিয়ে মানসিক এক প্রকার অশান্তি নিয়েই বিরতিতে যাবে বার্সেলোনা।










