অনেকেই তো কামিন্দু মেন্ডিসকে রেখেছেন নতুন যুগের ফ্যাভ ফোরের ভাবনাতে। মাঠকাঠি হিসেবে রয়েছে কামিন্দুর টেস্ট পারফরমেন্স। বনেদী পোশাক গায়ে তিনি সবুজ গালিচায় ফিরিয়ে আনেন কিংবদন্তি কুমার সাঙ্গাকারাকে। দৃষ্টিনন্দন কাভার ড্রাইভে তিনি মন্ত্রমুগ্ধ করতে জানেন।
তবে রঙিন পোশাকে এখনও ততটা নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। কিন্তু ইতোমধ্যেই তিনি যেন হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের দুশ্চিন্তার কারণ। না, মোটেও ব্যাট হাতে নয়- বরং বল হাতে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে, এই কামিন্দুর শিকার হয়েছেন তিনজন বাংলাদেশি ব্যাটার।
মজার বিষয় হচ্ছে, কামিন্দু কিন্তু নিয়মিত বোলিং করেন না। এমনকি তিনি অলরাউন্ডারও নন। তবে এই পার্টটাইমারদের উইকেট উপহার দেওয়ার দারুণ একটা প্রচলন আছে বাংলাদেশের। কামিন্দুর এখন অবধি সেরা বোলিং ফিগার সৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশি ব্যাটারদের কল্যাণে।

এর মধ্যে এই লঙ্কাদ্বীপে ‘স্টারবয়’ তকমা পাওয়া তাওহীদ হৃদয়ও রয়েছেন। তার ব্যাট-প্যাডের বিশাল ফাঁকা দিয়ে কামিন্দুর ইনকামিং ডেলিভারি আঘাত হেনেছিল স্ট্যাম্পে। অথচ এর আগে নয় ইনিংসে বোলিং করে স্রেফ দুইটি উইকেট যুক্ত হয়েছিল কামিন্দুর নামের পাশে।
কিন্তু বাংলাদেশের জন্যে দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিতে পারেন কামিন্দু মেন্ডিস। সেটা অবশ্যই ব্যাট হাতে। এক চারিথ আসালাঙ্কার শতকই যথেষ্ট প্রমাণিত হয়েছিল প্রথম ওয়ানডে পরাজয়ের জন্যে। অতএব কামিন্দুর ব্যাট জ্বলে উঠলে বাংলাদেশের পরাজয় রুখে দেওয়া হয়ে যাবে ভীষণ কঠিন।
যদিও সাদা বলের ক্রিকেটে কামিন্দুর ব্যাট সেই অর্থে উজ্জ্বলতা ছড়াতে পারেনি এখন অবধি। ২ ৫ গড়ে বিশ ম্যাচে রান নিয়েছেন। টেস্টে পাঁচটি শতক হাকালেও ওয়ানডেতে সেই ট্যালি শূন্য।

তবুও অনুশীলনে কামিন্দুর ব্যাটের শব্দ বুকে কাঁপন ধরানোর জন্যে যথেষ্ট। তাছাড়া লঙ্গার ফরম্যাটে তিনি পরীক্ষিত। সাদা পোশাকের প্রতিফলন রঙিন পোশাকে ঘটাতে নিশ্চয়ই চাইবেন লঙ্কান এই স্বপ্নদূত।











