মুস্তাফিজুর রহমানকে ডেথ ওভারের মূল অস্ত্র হিসেবে ধরেই পরিকল্পনা সাজিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ইডেন গার্ডেন্সের ধীরগতির পিচে তাঁর বিশ্বমানের কাটার এবং বাঁ-হাতি অ্যাঙ্গেল দলের বোলিং আক্রমণে আলাদা মাত্রা যোগ করত।
তাঁকে হারানো মানে শেষ ওভারগুলোর দায়িত্ব প্রায় একা বহন করতে হবে মাথিশা পাথিরানাকে। বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) মুস্তাফিজকে রিলিজ করার নির্দেশনা দিয়েছে কেকেআরকে।

বিদেশি কম্বিনেশনেও বড়সড় পরিবর্তন আনতে হতে পারে নাইট শিবিরকে। সুনীল নারাইন, ক্যামেরন গ্রিন ও পাথিরানার সঙ্গে মুস্তাফিজকে ঘিরেই বিদেশি কোর তৈরি হয়েছিল। এখন হয়তো হার্ষিত রানা, উমরান মালিকদের মতো ভারতীয় পেসারদের ওপর বেশি ভরসা করতে হবে, অথবা রাচিন রবিন্দ্রার মতো কোনও বিদেশি ব্যাটসম্যানকে একাদশে রাখার পথ ভাবতে হবে।
আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখেও পড়তে যাচ্ছে কেকেআর। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—কেকেআর কি ৯.২০ কোটি টাকা ফেরত পাবে? বিসিসিআই বদলি খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমতি দিলেও, পুরো অর্থ ফেরত দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও স্পষ্টতা নেই। টাকা ফেরত না পেলে কেকেআরকে তুলনামূলক কম দামের খেলোয়াড় দিয়েই ফাঁকা জায়গা পূরণ করতে হতে পারে।

সেক্ষেত্রে তিনজন বিদেশি পেসার আছে কলকাতার ভাবনায়। দৌঁড়ে এগিয়ে আছেন দুই অস্ট্রেলিয়ান পেসার – ঝাই রিচার্ডসন ও স্পেন্সার জনসন। এছাড়া আছেন ক্যারিবিয়ান পেসার আলজারি জোসেফ। যদিও, কেকেআরও জানে, এই তিনজনের কেউই মুস্তাফিজের অভাব পূরণ করতে পারবে না।










