বিরাট কোহলির বিপক্ষে নিজেদের পরিকল্পনায় সফল অস্ট্রেলিয়া দল। তাঁকে রীতিমত ছকে ফেলে আউট করলেন জ্যাভিয়ের বার্টলেট। পার্থে আট বল খেলার পর এবার অ্যাডিলেডে চার বল স্থায়ী হন তিনি। যথারীতি রানের খাতা খুলতে পারলেন না। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মত জোড়া ডাকের শিকার হলেন।
বিরাট কোহলি ক্রিজে আসার সাথে সাথেই স্লিপে তিনজন আনেন মিশেল মার্শ। আগের তিনটা ডেলিভারিই অফস্ট্যাম্পের বাইরে সিক্সথ স্ট্যাম্প তাড়া করেছেন বার্টলেট। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট আর কাভারের মাঝখানে ফাঁকা, যেন বিরাট কোহলিকে শট খেলার জন্য আমন্ত্রন জানানো হচ্ছে।

প্রথম দুইটা বল ছেড়ে দিলেন বিরাট কোহলি। তৃতীয় ডেলিভারিটা একটু ক্লোজ হল, ফোর্থ স্ট্যাম্পে পেলেন কোহলি, কভারের দিকে ডিফেন্ড করলেন। কিন্তু, চতুর্থ ডেলিভারিতেই চতুরতার পরিচয় দিলেন বার্টলেট। বল এবার ভিতরে ঢুকেছে, বিরাট কোহলি পা তখন অফস্ট্যাম্পের বাইরে বল খেলতে তৈরি হয়ে গেছে। তখন, ভিতরের দিকে আসা বল খেলার জন্য তাঁর পা রাজি নয়।
তারপরও প্রিয় শট স্কয়ার ফ্লিক করতে গেলেন কোহলি, ব্যস বলটা সোজা এসে লাগল সামনে বাড়ানো পায়ে। আম্পায়ারের আঙুল উঠতে সময় লাগেনি এক সেকেন্ডও। রোহিতের সঙ্গে মাত্র ১৫ সেকেন্ডের কথোপকথনের পর ড্রেসিংরুমে ফেরেন কোহলি।

ক্রিজ ছাড়ার সময়ও স্টেডিয়ামজুড়ে করতালি—তবুও মুখে হতাশার ছাপ স্পষ্ট। এমন এক ব্যাটার, যিনি এক সময় ছিলেন ‘রান মেশিন’, তিনিই আজ টানা দুই ম্যাচে শূন্য রানে বিদায় নিচ্ছেন। ক্রিকেটের মঞ্চে কিং কোহলির এই নীরবতা যেন অচেনা এক দৃশ্য। একই সাথে প্রশংসা প্রাপ্য অস্ট্রেলিয়া দলের, বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটারকেও তাহলে এভাবে সেট আপ করে আউট করা যায়।










