কোহলি সব জায়গাতেই ‘বিরাট’

টেস্ট কিংবা টি-টোয়েন্টি - ফরম্যাট যাই হোক, যে কন্ডিশনই হোক, প্রতিপক্ষ কিংবা মঞ্চ যাই হোক না কেন - কোহলির চেয়ে ‘বিরাট’ কোনো ব্যাটার আর নেই। আইপিএলের আঠারতম আসরের উদ্বোধনী আসরেই সেই সত্যটা প্রমাণ হয়ে গেল আরেকবার।

আধুনিক টি-টোয়েন্টিতে অচল বিরাট কোহলি। এমন কথা বলার লোকের কোনো অভাব নেই। কিন্তু, টেস্ট কিংবা টি-টোয়েন্টি – ফরম্যাট যাই হোক, যে কন্ডিশনই হোক, প্রতিপক্ষ কিংবা মঞ্চ যাই হোক না কেন – কোহলির চেয়ে ‘বিরাট’ কোনো ব্যাটার আর নেই। আইপিএলের আঠারতম আসরের উদ্বোধনী আসরেই সেই সত্যটা প্রমাণ হয়ে গেল আরেকবার।

কলকাতার দেওয়া ১৭৫ রানের লক্ষ্যে এক প্রান্ত থেকে ফিল সল্ট যখন ঝড় তুলছিলেন, তখন শান্ত ছিলেন না বিরাট কোহলিও। পাওয়ার প্লে-তে ব্যাঙ্গালুরুর তোলা ৮০ রানের মধ্যে কোহলি মাত্র ২৯ রান করলেও, সেখানে বল খেলেছেন মাত্র ১৩ টা।

তবে, পাওয়ার প্লে-র পর তিনি অন্য মানব। তখন তিনি আরও পরিণত। অপর প্রান্তে যখন ফিল সল্ট কিংবা দেবদূত পাদ্দিকালরা একের পর এক ঝরে গেলেন, তখন কোহলি ছিলেন অবিচল। তিনি যে সর্বকালের সেরা ম্যাচ ফিনিশারদের একজন – সেটা তো আর নতুন করে বলে দেওয়ার কিছু নেই। আইসিসি ইভেন্ট কিংবা আইপিএল – সব জায়গায় নিজের এই পরিচয় নিয়ে খুবই সচেতন বিরাট কোহলি।

তাই তো, ২২ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে আরসিবি। আবারও চেজ মাস্টার চরিত্রে অনন্য কোহলি! ৩৬ বলে অপরাজিত ছিলেন ৫৯ রানে! কে বলবে, টি-টোয়েন্টিতে তিনি ভারতের ‘সাবেক’ ক্রিকেটার!

ম্যাচ শুরুর আগে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয় ইডেন গার্ডেন্সে। সেখানে খোদ শাহরুখ খানও ছিলেন। সেখানে তিনি কোহলির পরিচয় দিতে দু’টো কথা বলেন, ‘ক্রিকেটের রাজা’ ও ‘সর্বকালের সেরা’। সেই শাহরুখ খানের দলকেই হারিয়ে দিলেন বিরাট।

সত্যি, বিরাট ক্রিকেটের রাজা, টি-টোয়েন্টির আন্তর্জাতিক ফরম্যাট থেকে তিনি বিদায় বলে ফেললেও আধুনিক ২০ ওভারের ফরম্যাটে তিনি আজও প্রচণ্ড প্রাসঙ্গিক। তাই তো, আজও কেউ কেউ প্রবল নিরাপত্তার ফাঁক গলে কোহলিকে একটু ছুয়ে দেখতে মাঠে ঢুকে পড়েন। রাজাদের ছুঁতে চাওয়ায় দোষের কিছু নেই। সেরাদের সেরারা এমনই হন!

Share via
Copy link