এমনিতেই রানের পাহাড়, তার উপর আর্শদীপের আগুনে বোলিং—রীতিমতো পুড়ে ছাই লখনৌ সুপার জায়ান্টসের ব্যাটাররা। যে টপ অর্ডার লখনৌয়ের মেরুদণ্ড ছিল, তা একাই গুড়িয়ে দিলেন আর্শদীপ সিং। সেই সাথে ধূলিসাৎ হওয়ার পথে লখনৌ সুপার জায়ান্টসের প্লে-অফ যাত্রা।
টস ভাগ্যে জিতে লখনৌ অধিনায়ক বেছে নিয়েছিলেন বোলিংটা। কাজেও দিয়েছিল পরিকল্পনা, দুই রানের মাথায় অভিষিক্ত আকাশ সিং-এর শিকার ফর্মে থাকা প্রিয়ান্স আরিয়া। তবে কাউন্টার অ্যাটাকটা আসে জশ ইংলিশের হাত ধরেই। মায়াঙ্ক যাদবের ওভারে টানা তিন বলে তিন ছয়। ওখানেই ঘুরে দাঁড়ায় পাঞ্জাব কিংস।
লখনৌ -এর সর্বনাশটা করেন নিকোলাস পুরান। ২১ রানে প্রভসিমরানের ক্যাচটা মিস করে বসেন। আর সেই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে প্রভসিমরান খেলেন ৪৮ বলে ৯১ রানের ধ্বংসাত্মক এক ইনিংস। শেষদিকে শ্রেয়াস এবং শশাঙ্কের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে পাঞ্জাব তোলে ২৩৬ রানের বড় পুঁজি।

২৩৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্যটা ছোঁয়া যে খুব একটা সহজ না, তা যেন বুঝে গিয়েছিল লখনৌয়ের ব্যাটাররা। তাই তো একে একে আত্মসমর্পণের পথটাই বেছে নেয়। মার্করাম, মার্শ এবং নিকোলাস পুরান—মূলত এই তিনজনের উপর ভর করেই পুরো আসরে টিকে আছে লখনৌ। আর এই তিনজনকেই ধসিয়ে দেন আর্শদীপের ছোড়া আগুনের গোলা। প্রথম তিন ওভারে ১০ রান দিয়ে আর্শদীপ তুলে নেন এই থ্রি মাস্কেটিয়ার্সকে।
ঋষভ পান্ত যে রান শূন্যতার বলয়ে আটকে পড়েছেন, তা থেকেও আজকেও বের হতে পারেননি। ১৭ বলে ১৮ রানের চাপ বাড়ানো ইনিংস খেলেই ফিরতে হয় তাকে। চেষ্টাটা করেছিলেন আয়ুশ বেদনি এবং আব্দুল সামাদ। তবে আয়ুশের ৭৪ এবং সামাদের ৪৫ রানের ইনিংসটা শুধুই ব্যবধান কমিয়েছে। শেষ পর্যন্ত পাঞ্জাবের জয়টা লেখা হয় ৩৭ রানের।
প্লে-অফের রেসে টিকে থাকার সহজ সমীকরণ ছিল আজকের ম্যাচ। যেখানে বিকল্প ছিল না জয় ছাড়া দ্বিতীয় কিছু ভাবার। সেখানেই পা ফসকালো লখনৌ। আর পাঞ্জাব কিংস উঠে গেল পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে। যা অনেকটা সহজ করে দিল হিসাব-নিকাশ।












