বাবর আজমকে কেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে ডাকা হলো? উত্তর, আমার ইচ্ছে। বড় মঞ্চে বরাবরই পারফর্ম করা ফখর জামানকে কেন বসিয়ে রাখা হলো? সেও আমার ইচ্ছে। এখানে আমার ইচ্ছে বলতে বোঝানো হচ্ছে পাকিস্তান হেড কোচ মাইক হেসনের ইচ্ছেকে। অনেকটা নিজের মর্জি মতোই পরিচালনা করেছেন দলকে, শোনেননি কারো কথা, এমনই অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
টালমাটাল পাকিস্তানের দায়িত্ব কাঁধে নতুন স্বপ্ন দেখানোর কথা ছিল হেসনের। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই স্বপ্ন ধুলিসাৎ হতে বাধ্য হয়েছে। বড় ইভেন্টগুলোতে বরাবরের মতোই মুখ থুবড়ে পড়ছে পাকিস্তান।

এশিয়া কাপ থেকে বিশ্বকাপ, মাঝের সময়টাতে দুই-তিনটা দ্বিপাক্ষিক সিরিজে সফলতা পেলেও বড় মঞ্চে মিনিমাম প্রতিধন্দিতা করতে পারেনি পাকিস্তান। এবারের বিশ্বকাপে বড় স্বপ্ন নিয়ে যাওয়া পাকিস্তানের যাত্রা থেমেছে সুপার এইটেই।
এর নেপথ্যের কারণ খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে হেসনের একগুঁয়েমি মনোভাব। বিশ্বকাপ ব্যর্থতার কারণ খতিয়ে দেখার সময় পিসিবি কর্মকর্তারা অভিযোগ পেয়েছেন নির্বাচক প্যানেল থেকে শুরু করে অধিনায়ক সালমান আলী আঘাকে নিজের হাতের পুতুল বানিয়েই রেখেছেন তিনি। দল গঠন থেকে শুরু করে গেম প্ল্যান সবকিছুই চলেছে তাঁর মর্জি মতো। এতেই যেন ড্রেসিংরুমের পরিবেশ হয়ে উঠেছে অস্থিতিশীল।

তবে কি হেসনের অধ্যায় শেষ হয়ে যাচ্ছে? যদিও সে আভাস এখনও জোরালোভাবে দেয়নি পিসিবি, তবে সময় গড়ালে কি হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
Share via:










