পার্থক্য গড়ে দিল নাওয়াজের চার ওভার

দক্ষিণ আফ্রিকা যেভাবে ইনিংস শুরু করেছিল, সেখান থেকে দিব্যি ২৩০-২৪০ তুলতেই পারত দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু, মাঝের ওভারগুলোতে রান শুকিয়ে দিয়েছেন নাওয়াজ।

রাওয়ালপিন্ডির মাঠে প্রথম ইনিংসের গড় রান ২১০। সেখানে রান কমানোর জন্য দরকার মিডল ওভারে টাইট বোলিং আর উইকেট টেকিং ডেলিভারি। আর যে উইকেটে বোলারদের জন্য তেমন একটা সাহায্য নেই, সেখানে উইকেট টেকিং ডেলিভারি করাটা প্রায় অসম্ভব।

আর সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করলেন মোহাম্মদ নাওয়াজ। তিনি নিজের কাজটা ঠিকঠাক করতে পেরেছেন। তিনটা উইকেট নিয়েছেন, চার ওভারে রান দিয়েছেন মাত্র ২৬, মানে ওভারপ্রতি রান সাতে ছয়। পাকিস্তানের মাটিতে এটা তাঁর সেরা বোলিং ফিগার। এর মধ্যে যাদের উইকেট পেয়েছেন সবগুলোই গুরুত্বপূর্ণ।

টনি ডি জর্জি ১৬ বল খেলে ২০০-এর বেশি স্ট্রাইক রেট নিয়ে ব্যাট করছিলেন। তাঁকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন। ফিরিয়ে দেন ‘বেবি’ এবি খ্যাত ডেওয়াল্ড ব্রেভিসকে। তাঁর সর্বশেষ শিকার প্রোটিয়া অধিনায়াক ডনোভন ফেরেইরা।

দক্ষিণ আফ্রিকা যেভাবে ইনিংস শুরু করেছিল, সেখান থেকে দিব্যি ২৩০-২৪০ তুলতেই পারত দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু, মাঝের ওভারগুলোতে রান শুকিয়ে দিয়েছেন নাওয়াজ। ফলে নয় উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রান করে সন্তুষ্ট থাকতে হয় প্রোটিয়াদের। শেষ পাঁচ ওভারে মাত্র ৪২ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। হারায় চারটি উইকেট। আর এই ক্ষেত্রটা তৈরি করে দেন নাওয়াজ।

Share via
Copy link