সাম্প্রতিককালে আইসিসি টুর্নামেন্ট মানেই যেন ভারতের দাপট। ২০২৩ সালের ঘরের মাঠে ওয়ানডে বিশ্বকাপে অপরাজিত থেকে ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ হলেও, ভারত সেই আক্ষেপ মিটিয়েছে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। যেখানে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকে নিজেদের সামর্থ্য জানান দিয়েছিল তারা। সাফল্যের সেই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও।
বর্তমানে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ভারতের সেই দাপট অব্যাহত। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে ইতোমধ্যেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে টিম ইন্ডিয়া। আর এর মাধ্যমেই ক্রিকেটের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে তারা। এই নিয়ে ২০ বারের মতো আইসিসি টুর্নামেন্টে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ভারত।
ভারতের পরবর্তী স্থানে থাকা অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড উভয় দলই ১৮ বার করে সেমিফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। তাসমান সাগরের দুই তীরের এই দুই দেশ ভারতের চেয়ে বর্তমানে দুই ধাপ পিছিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।

তারপরেই অবস্থান ক্রিকেটের আবিষ্কারক ইংলিশদের। বিশ্বকাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আর চ্যাম্পিয়নস ট্রফি মিলিয়ে ১৫ বার সেমিফাইনাল খেলেছে ইংল্যান্ড। ১৬তম বারের মতো সেমিফাইনালের মঞ্চ রাঙাতে ৫ মার্চ স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামছে তারা।
পাকিস্তান ক্রিকেট দল এখন পর্যন্ত ১৬টি সেমিফাইনাল খেলে নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিয়েছে। তাদের ঠিক নিচেই ১৫ বার সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা দক্ষিণ আফ্রিকা। যদিও শিরোপার দেখা মেলেছে কেবল একবার। অন্যদিকে, এশিয়ান পরাশক্তি শ্রীলঙ্কা এবং ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রত্যেকে ১১ বার করে সেমিফাইনাল খেলার গৌরব অর্জন করেছে।
এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে একবার করে সেমিফাইনালের স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। আন্ডারডগ হিসেবে ক্রিকেট ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায় লিখে একবার সেমিফাইনাল খেলেছিল কেনিয়াও।











