মাত্র চার ম্যাচ খেলেই ২৯ উইকেট নিজের ঝুলিতে পুরেছেন মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। জাতীয় লিগের চার দিনের সংস্করণে এমন অভাবনীয় কীর্তি আলোচনায় নিয়ে এসেছে তাঁকে। লাল বলে তিনি যে এক সম্ভাবনার বীজ বুনে দিয়েছেন সবার মনে।
এনসিএল টি-টোয়েন্টি চলাকালীন ইনজুরিতে পড়তে হয়েছে মুগ্ধকে। আসরটাই নিজের চোখের সামনে শেষ হয়ে যেতে দেখেছেন। যদিও তাঁর দল রংপুর পেয়েছিল চ্যাম্পিয়নের খেতাবটা। তবে সেখানে তাঁর অবদান বলতে কিছুই ছিল না।
ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফিরলেন মুগ্ধ। আবারও এনসিএলের মঞ্চ, তবে চার দিনের সংস্করণ। সেখানেও যে সবগুলো ম্যাচ খেলতে পারেননি তিনি। ইনজুরি উঁকি দিচ্ছিল বারবার। ঝুঁকি না নিয়ে তিন ম্যাচ খেলেই বিরতিতে যান আবারও। তবে ততদিনে নামের পাশে ২১ উইকেট লিখে ফেলেছেন।

শেষ রাউন্ডে আবারও ফিরে এলেন। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নিজেকে প্রমাণ করলেন আরও একবার। মাঝের বিরতিটা তাঁর ধার কমাতে পারেনি একটুও, বরং আরও ঝাঁঝালো হয়েই ফিরেছেন। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে তুলেছেন আট উইকেট। তাতেই দলও রংপুর চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
চার ম্যাচে মুকিদুল ২৯ উইকেট তুলে আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়েছেন। সেই সাথে লুফে নিয়েছেন টুর্নামেন্ট সেরার তকমাটা। এমন পারফরম্যান্সের পর তাঁকে নিয়ে বাড়ছে প্রত্যাশাটাও।
সাদা বলে ততটা মেলে ধরতে পারেননি নিজেকে। বিপিএল, এনসিএল কিংবা ডিপিএল—সবখানেই হাতড়ে বেড়িয়েছেন নিজের সেরা রূপটা। তবে লাল বলে তিনি যে নিজেকে খুঁজে পেয়েছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মাত্র ২৬ ম্যাচেই উইকেট সংখ্যাটা ১০৯। বোলিং গড় ২০.৫৭, স্ট্রাইক রেট ৩৭.৮—যা প্রমাণ দিচ্ছে তাঁর সক্ষমতা আসলে কতটা। এখন দেখার বিষয় কত দূর নিজের সেরা রূপটা টেনে নিয়ে যেতে পারেন তিনি।












