ওয়াসিমের আগ্রাসনে রাজশাহীর দারুণ জয়

ওয়াসিমের খেলা প্রায় ১৭১ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটিতে সমান চারটি করে চার-ছক্কার বাহারের দেখা মিলেছে। এতে করে ১৫২ রানের লক্ষ্য টপকাতে খুব একটা বেগ পোহাতে হয়নি রাজশাহীকে।

এলেন, দেখলেন, জয় করলেন। মুহাম্মদ ওয়াসিম নিজের নামের প্রতি পরিপূর্ণ সুবিচার করে গেলেন। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ক্যারিয়ারে নিজের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলে গেলেন। সহযোগী দেশের একজন তারকা হয়ে তিনি রাঙিয়ে রাখলেন তার প্রত্যাবর্তন। রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সের দারুণ দলটায় নিজের অন্তর্ভুক্তির যথার্থতা প্রমাণ করলেন প্রথম ম্যাচেই।

এর আগে স্রেফ একটি ম্যাচই খেলেছিলেন তিনি বিপিএলের মঞ্চে। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ২০২৩ বিপিএল খেলেছিলেন তিনি। সেই ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার পর তার উপর সেই ফ্রাঞ্চাইজি আর ভরসাই রাখেনি। এরপর বছর দুই পর আবারও বিপিএলে ফিরলেন মুহাম্মদ ওয়াসিম, এদফা আর ভুল করলেন না তিনি। বরং সংশয়ের মুখে ফেলে দিলেন একাদশে শাহিবজাদা ফারহানের জায়গা।

এদিন ধুকতে থাকা নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিরুদ্ধে রাজশাহীর জার্সিতে অভিষেক হয় ওয়াসিমের। ডানহাতি এই ব্যাটারের সামনে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৫২ রানের। সেই লক্ষ্যমাত্রার দিকে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটা করলেন বেশ দারুণভাবে। দলের পক্ষে ৬০টি রান তিনি যুক্ত করেছেন মাত্র ৩৫ বলে।

তাতে করে দলের চতুর্থ জয়ের ভীত পোক্ত হয়ে যায় রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সের। ওয়াসিমের খেলা প্রায় ১৭১ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটিতে সমান চারটি করে চার-ছক্কার বাহারের দেখা মিলেছে। এতে করে ১৫২ রানের লক্ষ্য টপকাতে খুব একটা বেগ পোহাতে হয়নি রাজশাহীকে। তাতে করে শাহিবজাদা ফারহান ফিরলে রাজশাহী পড়বে মধুর সমস্যায়।

জাতীয় দলের দায়িত্ব পালনে ফিরে গেছেন শাহিবজাদা ফারহান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে তিনি হয়ত আবার আসবেন বিপিএল মাতাতে। ফারহানও আছেন ছন্দে, ওয়াসিমও নিজের সক্ষমতার জানান দিলেন। দারুণ এক দুশ্চিন্তার মধ্যে রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সের টিম ম্যানেজমেন্টকে ঠেলে দিলেন মুহাম্মদ ওয়াসিম।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link