মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের জয় ছিল অবধারিত। পঞ্চম দিনে স্রেফ হচ্ছিল কালক্ষেপন। হাসান মুরাদ আর আয়ারল্যান্ডের প্রতিরোধকে দীর্ঘায়িত করতে দিলেন না। পর পর দুই বলে দুই উইকেট তুলে নিয়ে তিনি এনে দিলেন প্রতীক্ষিত জয়।
আয়ারল্যান্ডকে ৫০৯ রানের বিশাল বড় টার্গেট ছুড়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। এতবড় টার্গেট উৎরে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। তাইতো বাংলাদেশ দল ছিল নির্ভার। কিন্তু জয় আসবে জেনেও, দীর্ঘ সময় লাগা সবার জন্যই একটু হতাশাজনক। অন্যদিকে আয়ারল্যান্ডের প্রতিরোধ খানিকটা ভয়ের কারণও হয়ে দাড়িয়েছিল।

কার্টিস ক্যাম্ফার তো রীতিমত ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন মিরপুরের বাইশ গজে। ২৫৯ বলে ৭১ রানে শেষ অবধি তিনিই থেকেছেন অপরাজিত। জর্ডান নেইলের সাথে গড়েছিলেন ৪৮ রানের জুটি। এরপর আবার গ্যাভিন হোয়েকে সাথে নিয়ে দলের পক্ষে ১৯১ বলের এক দৃঢ়তায় ম্যাচকে ড্র-ইয়ের পথে ধাবিত করছিলেন ক্যাম্ফার।
চা-বিরতি যত ঘনিয়ে আসছিল, বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা যেন ততই শঙ্কার মুখে পড়ে যাচ্ছিল। কিন্তু শেষ অবধি হাসান মুরাদ জয় বঞ্চিত হতে দেননি। আইরিশ ঢাল ক্যাম্ফারকে রেখে তিনি টার্গেট করলেন অন্য প্রান্তের ব্যাটারদের। ব্যাস, প্রথমে গ্যাভিন হোয়ে এরপর ম্যাথু হামফ্রেসকে আউট করেন এই সিরিজেরই টেস্ট ক্যাপ পাওয়া মুরাদ।

তাতে করে প্রথম টেস্টে ছয় উইকেট পাওয়া হাসান মুরাদ, দ্বিতীয় টেস্টেও তুলে নেন ছয় উইকেট। দুই টেস্ট মিলিয়ে ১২ উইকেট শিকারে তিনি যেন সাকিব আল হাসান, তাইজুল ইসলামদের যোগ্য উত্তরসূরী হওয়ার বার্তা দিয়ে রাখলেন। তাইজুলের সাথে জুটি বেঁধে তিনি দলকে জয়ের বন্দরেও পৌঁছে দিলেন।











