উপেক্ষার জবাব দিলেন মুশফিক!

উপেক্ষার জবাবটা এভাবেই দিতে হয়, যেমনটা দিলেন মুশফিকুর রহিম। ম্যাচ উইনিং শটের পর ওই সেলিব্রেশনটায় যে সবকিছুর জবাব। যেন বুঝিয়ে দিলেন ছাই-ছাপা আগুনও যে ভয়ঙ্কর হয়ে জ্বলতে পারে।

উপেক্ষার জবাবটা এভাবেই দিতে হয়, যেমনটা দিলেন মুশফিকুর রহিম। ম্যাচ উইনিং শটের পর ওই সেলিব্রেশনটায় যে সবকিছুর জবাব। যেন বুঝিয়ে দিলেন ছাই-ছাপা আগুনও যে ভয়ঙ্কর হয়ে জ্বলতে পারে।

রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের যখন কঠিন মুহূর্ত, তখন মুশফিক অভিজ্ঞতার ঝুলি কাঁধে বাইশ গজে এলেন। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত তখন নিসঙ্গ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, খোঁজ করছেন একজন বিশ্বস্ত সঙ্গী। সেটা যদি হয় মুশফিক, তাঁর থেকে ভালো কিইবা আর হতে পারে।

শান্তকে পেছন থেকে সাহস দিলেন যেন, ভরসার বার্তা হিসেবে বললেন, ‘তুই খেল, আমি আছি।’ বাকি গল্পটাতো সবাই দেখল, ১৯১ রানের লক্ষ্যটা কিভাবে দুজনে অনায়াসে মাড়িয়ে গেলেন।

পুরো ইনিংসটাকে মুশফিক সাজালেন নিজের মতো করে, যখন যা দরকার সেটাই করলেন। সিঙ্গেলস, ডাবলস, সাথে প্রয়োজন অনুযায়ী বাউন্ডারি হাঁকানো সবই হলো একেবারে নিঁখুতভাবে। ম্যাচ উইনিং শটটা যে এলো ওই মুশফিকের ব্যাটে। এরপরই যেন মনের ভিতরে চাপা আগুনটা উগ্রে দিলেন ওই সেলিব্রেশনে।

৩১ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলে শেষপর্যন্ত অপরাজিত থাকলেন, দলের জয়টা নিশ্চিত করলেন নিজেই। চারটি চার আর দুই ছক্কায় সাজানো ইনিংসের স্ট্রাইক রেট ছিল ১৬৪-এর উপরে।

মুশফিক ফুরিয়ে গেছেন, নিলামে প্রথম ডাকে তাই উপেক্ষিত হতে হয়েছে তাঁকে। দ্বিতীয় ডাকে রাজশাহী দলে নিল। বিশ্বাস রাখল বুড়ো মুশফিকের উপর। আর প্রথম ম্যাচেই সেই আস্থার প্রতিদান দিলেন মুশি। জানিয়ে দিয়ে গেলেন এখনও সব শেষ হয়ে যায়নি।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link