বিপিএলের নিলামে অবিক্রীত থেকে গিয়েছিলেন জাতীয় দলের দুই অভিজ্ঞ তারকা—মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিম। আশ্চর্যের বিষয়, প্রথম দফায় তাদের প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি। ফলে নামের পাশে জুটেছিল ‘আনসোল্ড’ তকমা। নিয়ম অনুযায়ী, অবিক্রীত খেলোয়াড়দের পরে কিনতে চাইলে ভিত্তিমূল্য কমে যাওয়ার কথা।
ক্যাটাগরি ‘বি’তে থাকা মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকের ভিত্তিমূল্য ছিল ৩৫ লাখ টাকা। পরে কেউ চাইলে কম দামে নেওয়ার সুযোগ ছিল। সেক্ষেত্রে তাঁরা নেমে আসতেন সি ক্যাটাগরিতে, দাম হত ২২ লাখ টাকা। কিন্তু এই দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সেই নিয়মে হাত দেয়নি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। তাদের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখেই ভিত্তিমূল্য অনুযায়ী দলে ভিড়িয়েছে দুই দল।

বিসিবি পরিচালক ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতিখার রহমান মিঠু সেটা ঘোষণা করতেই মঞ্চে উঠেছিলেন। কিন্তু, তখন দৃশ্যপটে হাজির বিসিবির আরেক পরিচালক ও গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ইশতিয়াক সাদেক। রংপুর রাইডার্সের হয়ে নিলামে থাকা ইশতিয়াক সিনিয়র দুই ক্রিকেটারের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাঁদের ক্যাটাগরির অবনমন না করার দাবি জানান।
বাকি ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলোও সেই দাবি মেনে নিয়ে হাত তালি দেয়। পরে মুশফিকুর রহিমকে দলে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। অন্যদিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে দলে নেয় রংপুর রাইডার্স।











