মুস্তার কাটারের দ্বিধার জালে সল্টের সর্বনাশ

ফিল সল্ট শুরু থেকেই একটা স্নায়ুযুদ্ধ শুরু করে দিয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমানের বিপক্ষে। দুবাই ক্যাপিটালসের অন্যতম সেরা বোলারকে নড়বড়ে করে দেওয়ার পরিকল্পনা ভেস্তে যায় তার।

ছক্কা, চার পরের বল ডট, তার পরের বলে মুস্তাফিজের বাজিমাত। ফিল সল্ট শুরু থেকেই একটা স্নায়ুযুদ্ধ শুরু করে দিয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমানের বিপক্ষে। দুবাই ক্যাপিটালসের অন্যতম সেরা বোলারকে নড়বড়ে করে দেওয়ার পরিকল্পনা ভেস্তে যায় তার। বাউন্ডারি হজমের পর মুস্তাফিজ ঠিকই হাসেন শেষ হাসি। সল্টকে দেন উইকেট হারানোর নোনতা স্বাদ। সেই সাথে দলের জয়ের রাস্তাটাও করে দেন মসৃণ।

দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে নিজের অভিষেক ম্যাচেই দূর্দান্ত পারফরম করেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। তার প্রতি যেই অগাধ আস্থা ছিল ফ্রাঞ্চাইজিটির সেটার প্রতিদান দিতে দ্বিধা করেননি মুস্তাফিজ। কিন্তু তিনি দূর্দান্ত বোলিং করলেও, দল জিততে পারেনি। তবে নিজের খেলা দ্বিতীয় ম্যাচে দুবাইয়ের হাতে ম্যাচের লাগামটা মূলত তুলেই দেন মুস্তাফিজুর রহমান।

১৮৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নামে আবু ধাবি নাইট রাইডার্স। ইনিংসের প্রথম ওভারেই আবু ধাবি দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। সেই চাপকে দ্বিগুণ করেন মুস্তাফিজুর রহমান। ব্যক্তিগত প্রথম ওভারে তিনি ফিল সল্টকে দ্বিধার মধ্যের ফেলে দেন। যদিও একটি বাউন্ডারি হজম করেন। অন্যদিকে উন্মুক্ত চাঁদকে তো রানের খাতা খোলার সুযোগই দেননি মুস্তাফিজ।

শূন্যরানে চাঁদ ফেরেন সাজঘরে। দ্বিতীয় ওভার যখন করতে এলেন মুস্তাফিজ, তাকে প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে স্বাগতম জানান ফিল সল্ট। মুস্তা অবশ্য কোন প্রতিক্রিয়া জানাননি। এরপরের বলে আবারও বাউন্ডারি সল্টের ব্যাট থেকে। তৃতীয় বলটা মুস্তাফিজের সেই কব্জির মোচড়ে ছাড়া স্লোয়ার। ধরতেই পারেননি ইংলিশ ব্যাটার।

পরের বলে সল্টের দিকে ধেয়ে গেল ভয়ংকর কাটার। শর্ট কাভারে থাকা রভম্যান পাওয়েলের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে পরাজিত সৈনিকের বেশে মাঠ ছাড়েন সল্ট। মুস্তাফিজ খুব বেশি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেননি। তবে তার মুখের চওড়া হাসিই বলে দিচ্ছি- যুদ্ধ জয়ে ঠিক কতটা আনন্দ। সল্ট টিকে গেলে তিনি দুবাইয়ের জন্য হতে পারতেন গলার কাঁটা। মুস্তাফিজ সেটা হতে দেননি।

এদিন তিন ওভার বোলিং করে মুস্তাফিজের শিকার দুই উইকেট। বেশ কিছু বাউন্ডারি হজম করেও, মুস্তাফিজের খরচ মোটে ২২টি রান। প্রতিপক্ষের ভয়ংকর ব্যাটারকে আউট করে, দলকে প্রথম জয় পেতেও দারুণভাবে সহয়তা করেছেন দ্য কাটার মাস্টার।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link