মোমেন্টাম আনতে হবে? মুস্তাফিজুর রহমান আছেন। ব্রেক-থ্রু লাগবে? আছেন মুস্তাফিজুর রহমান আছেন। পাওয়ার প্লে-তে বোলিং করতে হবে? প্রতিপক্ষের রান শুকিয়ে ফেলতে হবে? সব কিছুতেই অধিনায়কের ভরসার পাত্র একজনই মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি আছেন বলেই, পথ হারায় না বাংলাদেশ।
পাঁচ ওভারেই ৫০ রান তুলে ফেলা আয়ারল্যান্ডকে মাটিতে নামান মুস্তাফিজুর রহমান। আর সেটাও ঠিক একটা ওভারেই। পাওয়ার-প্লের শেষ ওভারে আক্রমণে আসেন মুস্তাফিজ। আর এসেই দ্বিতীয় ওভারে আঘাত হানলেন। হ্যারি ট্যাক্টর বোল্ড, ব্যস – সেখানেই ম্যাচে ফিরল বাংলাদেশ, আর ছিটকে গেল আয়ারল্যান্ড। মুস্তাফিজের সেই এনে দেওয়া মোমেন্টাম ইনিংসের বাকিটা সময় রসদ যুগিয়ে গেছে বাংলাদেশকে।

ইনিংসের শেষের ১৪.৫ ওভারে বাংলাদেশের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ড তুলতে পারে মাত্র ৬৭ রান। হারায় দশটি উইকেট। ভাল শুরুর পরও আয়ারল্যান্ডের ভগ্ন দশার মূলে ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান।
সেখান থেকে শুরু, এরপর আবারও জোড়া আঘাত হানেন ১৮ তম ওভারে গিয়ে। যখন আয়ারল্যান্ড নিজেদের ইনিংসটাকে একটা সম্মানজনক অবস্থায় নিয়ে যেতে চাচ্ছিল, তখন সম্মান হানি ঘটল মুস্তাফিজের সামনে। ১১ রান দেন তিনি তিন ওভারে, উইকেট পান তিনটা।

তিন উইকেট নিয়ে তিনি এখন টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে সেরা তিন বোলারের একজন। ১৫৮ উইকেট নিয়ে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন নিউজিল্যান্ডের ইশ সোধিকে। এখন নিজের কাজটা তিন ওভারেই করে ফেলেছেন বলে, তাঁকে দিয়ে আর শেষ ওভারটা করানোর প্রয়োজনই মনে করেননি অধিনায়ক লিটন দাস।










