তবে কি নতুন এক ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) খেলতে চলেছেন মুস্তাফিজুর রহমান? হায়দ্রাবাদ, রাজস্থান, মুম্বাই, চেন্নাই কিংবা দিল্লীর পর এবার তিনি নাম লেখাবেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুতে? প্রথমবারের মত খেলবেন বিরাট কোহলির দলে? তেমনটাই মনে করছেন সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন।
আইপিএলের মেগা আসরের আগে ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক ভিন্নধর্মী আয়োজন করেছেন ভারতের এই তারকা স্পিনার। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আয়োজন করা মক অকশনে এবারও উঠে আসে পরিচিত সব নাম। সেই তালিকায় ছিলেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। আর এখানেই চমক—চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে লড়াই করে সাড়ে তিন কোটি রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে ভিড়িয়েছে বিরাট কোহলির ব্যাঙ্গালুরু।
গত আইপিএল আসরে মেগা নিলামে দল না পেলেও শেষ দিকে সুযোগ আসে মুস্তাফিজের জন্য। অস্ট্রেলিয়ার জেইক ফ্রেজার-ম্যাকগার্কের বদলি হিসেবে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে মাঠে নামেন তিনি। মাত্র তিন ম্যাচেই চার উইকেট নিয়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন এই বাঁহাতি পেসার। এর আগের মৌসুমে, ২০২৪ সালে, চেন্নাইয়ের জার্সিতে খেলেছিলেন মুস্তাফিজ—৯ ম্যাচে নিয়েছিলেন ১৪ উইকেট।

আইপিএলে এখন পর্যন্ত ৬০ ম্যাচ খেলে মুস্তাফিজের ঝুলিতে ৬৫ উইকেট, ওভারপ্রতি রান খরচ করেছেন মাত্র ৮.১৩। ২০১৬ সালে আইপিএলে অভিষেকের পর সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস, চেন্নাই সুপার কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালস—একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলেছেন তিনি।
আসন্ন মিনি নিলামে মুস্তাফিজ আছেন সর্বোচ্চ দুই কোটি রুপি ভিত্তিমূল্যের ক্যাটাগরিতে। এই তালিকায় তার সঙ্গে রয়েছেন আরও ৩৯ জন ক্রিকেটার। অশ্বিনের মক নিলামে ১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতিনিধি নিয়ে যাচাই করা হয় ক্রিকেটারদের সম্ভাব্য বাজারদর।
পেসারদের তালিকায় মুস্তাফিজের নাম ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই আগ্রহ দেখায় টিম ব্যাঙ্গালুরু। দুই কোটি রুপিতে প্রায় নিশ্চিত বিক্রি হয়ে যাচ্ছিলেন তিনি, ঠিক তখনই প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলে চেন্নাই। দুই দলের টানাটানিতে দাম বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত ৩ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে গিয়ে থামে নিলাম। চেন্নাই সরে দাঁড়ালে মুস্তাফিজকে নিজেদের করে নেয় ব্যাঙ্গালুরু।

মক নিলামের প্রভাব কি থাকবে ১৬ ডিসেম্বরের মূল নিলামেও? মুস্তাফিজের পাশাপাশি এবারের নিলামে নাম দিয়েছেন আরও কয়েকজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার—তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, শরিফুল ইসলাম, রাকিবুল হাসান ও নাহিদ রানা। কি আছে তাঁদের ভাগ্যে? উত্তরের জন্য সময়ের অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।










