কোটি টাকার নাঈম ফিফটিতে দিচ্ছেন সকল প্রশ্নের জবাব

নাঈম নিজের উপর আসা সমালোচনার জবাব যেমন দৃঢ়ভাবে দিয়ে যাচ্ছেন, ঠিক তেমনি গোটা চট্টগ্রাম রয়্যালসও সমালোচনার জবাব দিচ্ছে নিজেদের পারফরমেন্সে।

কোটি টাকা চাপ নয় প্রাপ্য, নাঈম শেখ প্রমাণ করতে চান তিনি যোগ্য। ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে জ্বলে উঠল নাঈমের ব্যাট। সেই আভাস মিলেছিল গত ম্যাচেই। দূর্দান্ত এক ইনিংস খেলে তিনি দলকে জেতালেন ম্যাচ। ঢাকা বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম রয়্যালসের দাপুটে জয়।

দ্বাদশ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের নিলামের পরই উঠেছিল প্রশ্ন, কোটি টাকা কি নাঈমের প্রাপ্য। একাদশ বিপিএলে তিনি ছিলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ঘরোয়া ক্রিকেটের নিয়মিত পারফরমার। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি বরাবরই খাবি খান। কিন্তু তার এত বড় প্রাইস ট্যাগ মোটেও বাড়াবাড়ি নয়।

রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে প্রায় ২০০ স্ট্রাইকরেটের ইনিংস খেলেছিলেন নাঈম। তিনি জানান দিচ্ছিলেন পুরনো ফর্মের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে চলেছেন এবারের আসরেও। সেই ধারাতে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে অপরাজিত এক ইনিংস খেললেন নাঈম। ৪০ বলে ৫৪ রানের ইনিংসটি ছিল পরিস্থিতির চাহিদা মাফিক, সময়োপযোগী।

অহেতুক ঝুঁকিপূর্ণ আগ্রাসনের পথে তিনি হাটেননি। যেহেতু লক্ষ্যমাত্রা ছিল মাত্র ১২৩। এত স্বল্প লক্ষ্যমাত্রায় অযথা বাড়তি কিছুর করার প্রয়োজনীয়তা ছিল না। তবুও সাতটি চার ও একটি ছক্কার মার এসেছে মোহাম্মদ নাঈম শেখের ব্যাট থেকে। দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন দাপুটে জয়ে।

অ্যাডাম রসিংটনের সাথে তার অপরাজেয় জুটিতে ভর দিয়ে দশ উইকেটের বিশাল জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। তিন ম্যাচের মধ্যে দুইটি ম্যাচ জিতে চট্টগ্রামের অবস্থান এখন পয়েন্ট টেবিলের উপরের সারিতে। অথচ টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ব্যবস্থাপনার দিক থেকে দলটি অবস্থান ছিল ভীষণ নড়বড়ে। এছাড়াও দলটিকে নিয়ে সমালোচনা ছিল ব্যাপক।

কিন্তু নাঈম নিজের উপর আসা সমালোচনার জবাব যেমন দৃঢ়ভাবে দিয়ে যাচ্ছেন, ঠিক তেমনি গোটা চট্টগ্রাম রয়্যালসও সমালোচনার জবাব দিচ্ছে নিজেদের পারফরমেন্সে। যদিও এক্ষেত্রে বিতর্কিত ফ্রাঞ্চাইজির সম্পৃক্ততা না থাকা, পারিশ্রমিক নিয়ে দুশ্চিন্তা না করা- অন্যতম প্রভাবক বনে গেছে। যেহেতু দলটির দায়িত্ব রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের হাতে।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link