এক রানের পাহাড়সম আক্ষেপ সঙ্গী হলো, আরও একবার হৃদয় ভাঙলো নেপালের। ছয় বলে আট রানের সমীকরণ মেলাতে পারলো না তারা, শেষ হাসিটা হাসলো পাকিস্তান শাহীনস।
টস ভাগ্যও এদিন সহায় হয়নি নেপালের। অবশ্য বল হাতে বেশ ভালো শুরু করেছিল তারা। চার রানের মাথায় দুই উইকেট তুলে নিয়ে শাহীনসের বিপদে ফেলেন দিপেন্দ্র সিং আইরি।
এরপর থেকে নেপালের বোলিং সামলাতে বেশ হিমশিম খেতে হয় দলটির। ১১তম ওভারের মাথায় ৫৮ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বসলে নেপাল তখন চালকের আসনে।

শেষদিকে অবশ্য অধিনায়ক ইরফান খানের ৪২ এবং মোহাম্মদ ওয়াসিমের ২৩ রানে ভর করে পাকিস্তান শাহীনস স্কোরবোর্ডে তোলে ১৪৪ রান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার কুশাল ভুরটেলকে ছয় রানের মাথায় হারালেও আসিফ শেখ এবং রোহিত পাউডেলের ব্যাটে জয়ের সম্ভাবনা জেগে ওঠে। তবে আসিফ শেখের ৩০ বলে ২৭ রানের ধীরগতির ইনিংস চাপ বাড়িয়েছে।
৫২ রান করে রোহিত ফিরলে দলের অবস্থান তখন ১৬ ওভার শেষে চার উইকেট হারিয়ে ১০৮। জিততে হলে তখনও দরকার ৩৭ রান। সেই দায়িত্বটা কাঁধে তুলে নেন দিপেন্দ্র সিং। বল হাতে দুই উইকেট নিয়েছিলেন, ব্যাট হাতেও ঝলক দেখালেন।

তাঁর ২১ বলে ৪১ রানের ঝড়ো ইনিংসে নেপাল দাঁড়ায় জয়ের দ্বারপ্রান্তে। শেষ ওভারে দরকার আট রান, আর শেষবলে সেটা গিয়ে দাঁড়ায় তিন। দুই রান নিতে পারলেই সুপার ওভার, তবে সেটা আর পারেনি নেপাল। অগত্যা এক রানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো তাদের।
নেপালের ভাগ্য বরাবরই বড্ড নিষ্ঠুর। এর আগেও অনেক ম্যাচই জয়ের কাছে গিয়েও হারতে হয়েছে। এবারও তাই হলো, ক্রিকেট পাগল নেপাল ভক্তরা আবারও পেল হৃদয় ভাঙার যন্ত্রণা।











