নো বল বিতর্ক, আবারও বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে উত্তাপ

নো-বলের সোরগোল তুলে স্রেফ আফসোসের ক্ষতে এক সান্ত্বনার প্রলেপ দেওয়া সম্ভব, এর বাইরে আর তেমন কিছু করার নেই ভারতের।

বাংলাদেশ-ভারত মুখোমুখি হবে ক্রিকেট ময়দানে, আর বিতর্কের জন্ম হবে না- তা কি করে সম্ভব। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বৈভব সুরিয়াভানশির আউট নিয়ে আবারও দুই মেরুতে বিভক্ত হয়ে গেছেন দুই দেশের সমর্থকরা। তবে বাস্তবতা হচ্ছে ইকবাল হোসেন ইমন লিগ্যাল ডেলিভারিতেই সুরিয়াভানশিকে ক্যাচ আউটের ফাঁদে ফেলেছেন।

বৈভব সুরিয়াভানশি তো এখন গ্লোবাল স্টার। তার সুখ্যাতি ছড়িয়ে আছে সর্বত্র। বাংলাদেশের যুবাদের বিপক্ষেও তিনি একা হাতেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দলের সংগ্রহ। হুট করে বোলিংয়ে পরিবর্তন আনেন বাংলাদেশের অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম। দীর্ঘ বিরতির পর ইকবাল হোসেন ইমন এলেন বোলিং প্রান্তে। এসেই তুলে নিলেন উইকেট।

টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, ইমনের ল্যান্ডিং ফুট পপিং ক্রিজের বাইরে চলে গেছে। কিন্তু থার্ড আম্পায়ারের সাথে আলাপচারিতা শেষে অনফিল্ড আম্পায়ার জানিয়ে দেন আউটের সিদ্ধান্ত। আর তাতেই ভীষণ ক্ষুব্ধ ভারতীয় দর্শকরা। তারা বেশ জোর গলায় দাবি জানাচ্ছেন, ‘নো বল’ ছিল সেটি।

কিন্তু ক্রিকেটের কানুনের বই অনুসারে, ইমনের বলটি ছিল শতভাগ লিগ্যাল। ক্রিকেটের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা এমসিসির ২১.৫.২ নম্বর আইনে স্পষ্ট করেই বলা আছে, ‘বোলারের সামনের পা-এর কোনো অংশ—মাটিতে লাগুক বা না লাগুক—পপিং ক্রিজের পেছনে ল্যান্ড করতে হবে।’

সুরিয়াভানশির আউটের ক্ষেত্রে ইমনের গোড়ালি পপিং ক্রিজের ভেতরে ল্যান্ড করেছিল। পরবর্তীতে ফলো থ্রু-তে তা ক্রিজের বাইরে চলে যায়। এক্ষেত্রেও আইসিসির সুনির্দিষ্ট আইন বলছে, পা ল্যান্ড করার পরে কি ঘটল তা আর বিবেচ্য হবে না। তাইতো নো-বলের সোরগোল তুলে স্রেফ আফসোসের ক্ষতে এক সান্ত্বনার প্রলেপ দেওয়া সম্ভব, এর বাইরে আর তেমন কিছু করার নেই ভারতের।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link