দামে কম মানে ভালো, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের স্কোয়াড দেখে তেমনটাই মনে হতে পারে। দেশীয় তালিকায় তারকাদের ছড়াছড়ি নেই তবে রয়েছে কার্যকরী সব নাম, সেই সাথে বিদেশি ক্যাটাগরিতেও রয়েছেন নামজাদা ক্রিকেটাররা। নবাগত দল নোয়াখালী তাই প্রস্তুত প্রথম আসরেই চমক দেখানোর জন্য।
নিলামের সর্বনিম্ন অর্থ ব্যয় করেছিল দলটি। ২ কোটি ৬৩ লাখ খরচে কিনেছিল স্থানীয় ১২ জন ক্রিকেটারকে। এর আগেই অবশ্য ডিরেক্ট সাইনিংয়ে ঘরে তুলেছিল হাসান মাহমুদ এবং সৌম্য সরকারকে। বিদেশিদের মধ্যে দলে টেনেছিল জনসন চার্লস এবং কুশল মেন্ডিসকে।
তবে একটা শূন্যতা থেকেই যাচ্ছিল, দলে এমন তারকা দরকার যিনি ব্যাটে বলে পারফর্ম করবেন সমান তালে। কানাঘুষা চলছিল জিমি নিশাম খেলবেন নোয়াখালীর হয়ে। তবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স তাঁকে দলে ভিড়িয়েছে। তবে নোয়াখালী বেছে নিয়েছে মোহাম্মদ নবীকে, যার অভিজ্ঞতা প্রেরণা জোগাবে বাকিদের।
এবার একটু একাদশের দিকে তাকানো যাক। ওপেনিংয়ে কে নামবেন এটা নিয়ে একটু বিপাকেই পড়তে হবে ম্যানেজমেন্টকে। স্কোয়াডে থাকা পাঁচজনের জায়গা যে ওপেনিং পজিশন। শেষটাতে হয়তো সৌম্য সরকার এবং হাবিবুর রহমান সোহানের উপরই দায়িত্ব বর্তাবে।
তিনে কুশল মেন্ডিস আর চারে জনসন চার্লসকেই কাজে লাগাতে পারে ম্যানেজমেন্ট। অর্থাৎ নোয়াখালী প্রথম চার পাওয়ার হিটারের উপরই নির্ভর করবে ম্যাচের মোমেন্টাম। কেউ একজন দাঁড়িয়ে যেতে পারলেই ম্যাচের দৃশ্যপটে একক রাজত্ব করবে এই দল।
তবে দ্রুত রান তোলার পাশাপাশি যে হাল ধরতে হবে কাউকে, সেই দায়িত্ব কাঁধে নেবেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। অফফর্মে থাকা জাকের আলীরও জন্য জ্বলে ওঠা বড্ড প্রয়োজন। তাই তো নিজেকে প্রমাণের মঞ্চটা কাজে লাগাতে চাইবেন শতভাগ। ফিনিশিং রোলে মোহাম্মদ নবীই হবেন তুরুপের তাস। সাথে বল হাতে তাঁর গোটা চারেক ওভার স্বস্তিতে রাখবে দলকে।

বোলিং ইউনিটটা কিছুটা ভোগাতে পারে নোয়াখালীকে। এই জায়গায় হাসান মাহমুদকে নিতে হবে গুরুত্বদায়িত্ব। মুশফিক হাসান সঙ্গ দিতে পারেন তাঁকে। এছাড়াও থাকবেন পাকিস্তানি পেসার এহসানউল্লাহ। স্পিন ডিপার্টমেন্টে দেখা যেতে পারে নাজমুল ইসলামকে।
ব্যাটিং ইউনিটটা মোটামুটি ঠিকঠাক। তবে নোয়াখালীর বোলিং দূর হচ্ছে না সংশয়। সবমিলিয়ে দলটা মন্দ নয়। নিজেদের সেরাটা দিতে পারলে প্রথম আসরেই সবাইকে চমকে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে সৌম্যরা।











